স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যাদের নাম বাদ গিয়েছে, তাদের অধিকাংশই দীর্ঘ বছর ধরে ভোট দান করে আসছেন। এমনকি ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও তাদের নাম ছিল বলে দাবি। অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের তরফে ডাকা শুনানিতেও অংশ নিয়েছিলেন তাঁরা। আধার কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট-সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরও কেন নাম বাদ গেল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন! তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বহু প্রবীণ নাগরিকও রয়েছেন। কারও বয়স ৭০, আবার কেউ ৭৫-এরও বেশি। হঠাৎ করেই ভোটাধিকার হারানোর আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তাঁরা। কীভাবে পুনরায় ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা যাবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও নির্দেশ না মেলায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে।
advertisement
নাম বাদ যাওয়া ভোটার সকিনা বিবি বলেন, ” সব কাগজ জমা দিয়েছি, শুনানিতেও গিয়েছি। তার পরও নাম কেটে দেওয়া হয়েছে, বুঝতে পারছি না কেন।” একই সুর শোনা যায় মমিন আলীর গলায়। তাঁর অভিযোগ, ” বছরের পর বছর ভোট দিচ্ছি, হঠাৎ করে নাম উধাও হয়ে গেল। এখন কী করব, বুঝে উঠতে পারছি না।”
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে প্রশাসন সূত্রে খবর, বাদ যাওয়া ভোটারদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বাড়ছে বারাসাতে।





