ইতিমধ্যেই মনোনয়ন জমা দিয়ে প্রচারে নেমে পড়েছেন সহিদুল হক। তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পবিত্র কর-কে। ফলে নন্দীগ্রামে এবার ত্রিমুখী লড়াই আরও জমে উঠেছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত। নন্দীগ্রাম কেন্দ্র বরাবরই রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০১১ সালের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই কেন্দ্র থেকেই ক্ষমতার পালাবদলের সূচনা হয়েছিল। পরবর্তীকালে এই কেন্দ্র থেকেই উঠে এসেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ফলে প্রতিটি নির্বাচনেই নন্দীগ্রাম ঘিরে উত্তেজনা থাকে তুঙ্গে। এই প্রেক্ষাপটে নতুন মুখ হিসেবে সহিদুল হকের প্রার্থী পদে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। সহিদুল হক দাবি করেছেন, নন্দীগ্রামের মানুষ পরিবর্তন চাইছে। তৃণমূল ও বিজেপি দুই শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতেই মাঠে নেমেছেন। মানুষের জন্য কাজ করাই তার লক্ষ্য।
advertisement
ভোট যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে উত্তেজনা। নন্দীগ্রামের মাটিতে আবারও শোনা যাচ্ছে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সুর। তবে শেষ পর্যন্ত এই ত্রিমুখী লড়াইয়ে কার পাল্লা ভারী হবে, তার উত্তর মিলবে ফল ঘোষণার দিন, আগামী ৪ মে।






