জানা যাচ্ছে, জামির ফকিরের পরিবারের কেউ না থাকায় বহুদিন ধরেই দুর্বার গোষ্ঠীর কাজে ব্যবহৃত এই ঘরটিতে তিনি থাকতেন। সেই সঙ্গেই এই গোষ্ঠীর হয়ে কাজও করতেন। কিন্তু এদিন সকালে তিনি ঘর থেকে বেরোচ্ছেন না দেখে পার্শ্ববর্তী লোক ডাকাডাকি শুরু করেন। তারপরেও জামির দরজা না খোলায় পুলিশে খবর দেয় এলাকার মানুষ।
advertisement
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। তাঁরা এসে দরজা খুলে ওই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে। কীভাবে জামিরের মৃত্যু হল, আত্মহত্যা, খুন, নাকি কোনও শারীরিক কারণে মৃত্যু হয়েছে? সম্পূর্ণ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে মাটিয়া থানার পুলিশ। সেই সঙ্গেই ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি বসিরহাট জেলা হাসপাতালের পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে দুর্বার গোষ্ঠীর একটি ঘর থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জামির ফকির নামে এই যুবকের কীভাবে মৃত্যু হল সেটা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তে কী উঠে আসে সেটাই এখন দেখার।
