এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাগদার বিধায়ক মধুপর্ণা ঠাকুর সহ স্থানীয় নেতৃত্ব। সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই সেতুর দাবি ছিল। আমি শুধু কথায় বিশ্বাসী নই। তাই টাকা স্যাংশন করে এদিন থেকে কাজের সূচনা করলাম। সেতুর কাজ শেষ হলে আবার এখানে আসব।” তিনি আরও জানান, রাঘবপুর সেতুর জন্য তাঁর সাংসদ তহবিল থেকে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে এবং বাগী সেতুর জন্য ৪০ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ এগরার শিক্ষকের অভিনব আইডিয়া! জমি ছেড়ে বাড়ির ছাদেই ফলাচ্ছেন সবুজ শাকসবজি, অল্প জায়গায় চাষে নয়া দিশা
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাঘবপুর গ্রামে কয়েকশো মানুষের বসবাস। স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল সব ক্ষেত্রেই যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ছিল ভাঙাচোরা একটি সেতু। অ্যাম্বুল্যান্স চলাচল করতেও সমস্যায় পড়তে হত। অতীতে সেতু ভেঙে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ।
বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, প্রাক্তন বিধায়ক উপেন বিশ্বাসের আমলেও সেতুর শিলান্যাস হয়েছিল, কিন্তু কাজ আর এগোয়নি। তাঁদের কথায়, আমরা আর শুধু শিলান্যাস চাই না, পাকা সেতু চাই। সেতু তৈরি হলে তবেই আমরা নিশ্চিন্ত।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বাগদার বিধায়ক মধুপর্ণা ঠাকুর বলেন, “আমি দেড় বছরের বিধায়ক। উপনির্বাচনের সময় দেওয়া কথা পূরণ করার চেষ্টা করেছি। দ্রুত কাজ শেষ করার দিকেই নজর দেওয়া হবে।” দীর্ঘ অপেক্ষার পর এবার কি সত্যিই বাস্তবায়িত হবে বহু প্রতীক্ষিত পাকা সেতুর স্বপ্ন? সেদিকেই নজর এলাকাবাসীর।





