উল্লেখ্য, গত বছর ১৮ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে ভার্চুয়ালি ব্যারাকপুরের উৎস ধারা প্রকল্পের উদ্বোধন হয়ে গেলেও, এখনও সেখানে সাধারনের প্রবেশ নিষেধ। প্রশাসন সূত্রে খবর, পূর্ত দফতরের প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে মনোরম পরিবেশে রাজ্যের অন্যতম পর্যটনস্থল হিসেবে উৎস ধারা পর্যটন দফতরের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। যদিও টিকিট মূল্য কত হবে, তা এখনও নির্ধারণ হয়নি। প্রসঙ্গত, দশ বছর আগে ২০১৬ সালে ব্যারাকপুর সুকান্ত সদনে প্রশাসনিক বৈঠকে এসে উৎস ধারার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
advertisement
ব্যারাকপুরের মঙ্গল পান্ডে ঘাট থেকে অন্নপূর্ণা মন্দির ঘাট পর্যন্ত ১.৮ কিলোমিটার গঙ্গার পার ধরে সৌন্দর্য্যায়ন করার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু জমি জটের কারণে ৭৫০ মিটার অংশে গান্ধীঘাট লাগোয়া ফিডার ক্যানেল থেকে মঙ্গল ধারা, টুরিস্ট লস পর্যন্ত প্রকল্পটি হয়েছে। ভেতরে রয়েছে সিপাহী বিদ্রোহ সহ ইতিহাস সমৃদ্ধ ব্যারাকপুরে নানান তথ্য। রয়েছে ওপেন থিয়েটার, ক্লক টাওয়ার, গঙ্গার পাড় বরাবর হাঁটার ব্যবস্থা। ভেতরে রয়েছে বনসাই, রংবেরঙের ফুল, পাহাড়ি গাছ।
রয়েছে মাতঙ্গিনী হাজরা, সুভাষচন্দ্র বসু গান্ধীজি সহ একাধিক বীর সেনানির মূর্তি। উৎস ধারার ভেতরে রয়েছে সান প্লাজা। যেখানে সূর্য ছায়ার সঙ্গে সময় নির্ণয় করা যাবে। তবে কয়েকটি টেকনিক্যাল ইস্যুর কারণে এখনই সাধারণ মানুষের প্রবেশ অনুমতি দেওয়া হয়নি। এই বিষয়ে ব্যারাকপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস বলেন, দেখে মানুষের মন ভরে যাবে। এটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের এই প্রকল্প। তিনি আরও বলেন, ইতিহাস সমৃদ্ধ ব্যারাকপুরে মানুষের জন্য গর্বের এক নিদর্শন তৈরি হল।
