উচ্চতা মাত্র দু’ফুট আট ইঞ্চি। প্রায় ১৮-২০ বছর ধরে সার্কাসের সঙ্গে যুক্ত তিনি। বর্তমানে বয়স প্রায় ৪০। মঞ্চে উঠলেই নিজের ব্যক্তিগত কষ্ট ভুলে মানুষকে হাসানোই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। শিশু থেকে বয়স্ক সবাই তাঁর কেরামতিতে মুগ্ধ। কেউ সেলফি তুলছেন, কেউ ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তগুলি ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
আরও পড়ুনঃ আলিপুর চিড়িয়াখানা তো অনেকেই গিয়েছেন! এবার ঘুরে আসুন রসিকবিল মিনি জু, উইকেন্ড ট্রিপের সেরা ডেস্টিনেশন
advertisement
অসমের বাসিন্দা দীপক জানান, এই সার্কাসই তাঁর রুজি-রোজগারের একমাত্র ভরসা। যাযাবর জীবনে পরিবার ও সন্তানদের সঙ্গে নিয়মিত দেখা করার সুযোগ হয় না। তবুও মুখে হাসি রেখেই মঞ্চে উঠতে হয়। মানুষকে আনন্দ দেওয়াই তাঁর কাজ।
প্রসঙ্গত, একসময় সার্কাস মানেই ছিল বাঘ, হাতি, জলহস্তী সহ নানা পশুপাখির খেলা। কিন্তু ভারত সরকারের নির্দেশিকায় বন্যপ্রাণী নিয়ে খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সার্কাসের চেহারায় এসেছে বড় পরিবর্তন। কিছু বছর আগে পর্যন্ত পাখি বা কুকুরের খেলা চললেও বর্তমানে তা বন্ধ। ফলে আগের জৌলুস অনেকটাই হারিয়েছে। তবে সেই সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দর্শকদের টানতে নানা নতুন আকর্ষণ নিয়ে হাজির হয়েছে অজন্তা সার্কাস।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিদেশি শিল্পীদের ব্যালেন্সের খেলা, গ্লোব শো, ফায়ার ডান্স, জিমন্যাস্টিকস সহ একাধিক পরিবেশনা মন জয় করছে দর্শকদের। নাইজেরিয়ান, মনিপুরী ও নেপালি শিল্পীদের অংশগ্রহণ শো-কে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। শুধু শিশুরাই নয়, বহু প্রবীণ মানুষও হাজির হচ্ছেন হরিপুর ময়দানে। পুরনো দিনের স্মৃতি ফিরে পেতে অনেকেই পরিবার নিয়ে সার্কাস দেখতে আসছেন। তবে সবার নজর কেড়েছে জোকারদের উপস্থিতি। কখনও দর্শকদের সঙ্গে খুনসুটি, কখনও নিজস্ব অঙ্গভঙ্গি দিয়ে পুরো আসর মাতিয়ে রাখছেন তাঁরাই।





