এদিন মানস মুখোপাধ্যায় বলেন, ”চোখে চোখ রেখে লড়াই কী হয়, সেটা এবার বুঝবে। চোখে চোখ রেখে লড়াই মানে এই নয়, মস্তানদের দিয়ে ভোট করাব। চোখে চোখ রেখে লড়াই মানে এই নয় ভোট লুঠ করব। ভোট লুঠ করতে আসলে টের পাবে। ২০১৬-তে আমি মদন মিত্রকে হারিয়েছি। তৃণমূলের মিছিলে যারা থাকবে, তারা আমাদের পক্ষে।”
advertisement
এদিকে, মদন মিত্র বলেন, ”এমনিতে ওঁর চোখে পাওয়ার আছে। আমার চোখে পাওয়ার নেই। এই বয়সে আর চোখে চোখ রাখবেন না। অনেক তো চোখে চোখ রেখেছেন। ৩৪ বছর কত মানুষকে মেরে লুট করে রক্ত গঙ্গা বইয়ে দিয়েছেন বেলঘরিয়ায়। এখনও চোখ রাখার স্বভাব আছে। এবার একটু চোখটা নামিয়ে নিন। এবার আপনি চোখটা না নামালে, মানুষ আপনার চোখটা নামিয়ে দেবে।”
আরও একবার ভোটের ময়দানে মদন মিত্র। চতুর্থবার কামারহাটি বিধানসভা থেকে তৃণমূলের টিকিটে লড়তে চলেছেন ‘ওহ লাভলি’নেতা। এ বার কঠিন লড়াই তৃণমূলের বিদায়ি বিধায়কের। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিজেপির সঙ্গে এবার আবার মানস মুখোপাধ্য়ায়কে সিপিএম প্রার্থী করায় মদনের লড়াই কঠিন। কামারহাটিতে ২০১১ ও ২০২১-দুটি বিধানসভা ভোটে সসম্মানে পাশ করেন মদন। জেলে থাকায় সেভাবে প্রচার করতে না করায় ২০১৬ নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন সিপিএমের মানস মুখোপাধ্যায়ের কাছে। যদিও গতবার বেশ বড় ব্যবধানেই জিতেছিলেন। কামারহাটিতে তৃণমূলের প্রার্থী মদন মিত্র এর নাম ঘোষণার সঙ্গেই কামারহাটি জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দেন তিনি।
পুজো দিয়েই রঙের তুলির টানে নিজের নাম দেওয়ালে লিখে প্রচার করলেন এবং ভোটে তিনি জয়লাভ করবেন এটাই মদন মিত্রের আশা। কামারহাটিতে সিপিআইএম প্রার্থী মানস মুখোপাধ্যায় কামারহাটিতে ভোট প্রচার করতে এসে বলেছেন, ভোট লুট হলে চোখে চোখ রেখে কথা হবে।
