মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৬টা নাগাদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের দিল্লির বাড়িতে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি৷ জানা গিয়েছে, বৈঠকে প্রত্যেক সাংসদের কাছ থেকে তাঁদের সংসদীয় এলাকার বিধানসভা ভিত্তিক রিপোর্ট কার্ড দেখেন৷ একাধিক নির্দেশও দেন৷
advertisement
ভোট নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে সব রাজনতিক শিবিরে৷ দফায় দফায় বৈঠক চলছে৷ তৃণমূল স্তর থেকে শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্ব, সব স্তরেই৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের পাশাপাশি, এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং বঙ্গের বিজেপি সাংসদেরা৷
বৈঠক শেষে বেরিয়ে দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা, রাজ্যসভা, এমনকি, প্রথমবারের সাংসদেরাও ছিলাম এই বৈঠকে৷ সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে ২ ঘণ্টা কাটানোর এবং আমাদের নানা প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার সুযোগ পেয়েছি আমরা৷ এটা সর্বতোভাবেই সাংগঠনিক বৈঠক, আমাদের সঙ্গে তাঁর প্রথম বৈঠক৷ তাই উনি আমাদের বহু উপদেশ দিয়েছেন, অনেক কিছু শিখিয়েছেন৷ এই জন্যই ভারতীয় জনতা পার্টিকে আমার অন্যান্য রাজনৈতিক দলের চেয়ে আলাদা মনে হয়৷ আমরা পারিবারিক অনুষ্ঠানের মতো সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে দেখা করি৷ প্রত্যেক সাংসদই নিজের নিজের কথা বলতে পারেন৷ ’’
জানা গিয়েছে, বৈঠকে নিতিন নবীন জানিয়েছেন, বিধায়কদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে সাংসদদের৷ যেখানে বিজেপির বিধায়ক নেই সেখানে সভাপতিদের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে কাজ করতে হবে৷ নিতিন নবীন জানিয়েছেন, বিধানসভা নির্বাচন এবং লোকসভা নির্বাচন লড়ার মধ্যে পার্থক্য অনেক৷ সেই বুঝে সংগঠন করতে হবে তৃণমূল স্তরে৷
