সালটা ২০০১। সেই সময় শিলিগুড়িতে অজানা জ্বরের প্রকোপ দেখা গিয়েছিল। সেই অজানা জ্বরে চিকিৎসক, নার্স সহ ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। পরে নমুনা সংগ্রহ এবং ল্যাবে পরীক্ষা করে জানা যায়, নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েই আদপে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুনঃ আলুর লোভে সোজা লোকালয়ে হাজির! জলপাইগুড়ির গ্রামে হাতির দলের হানা, এলাকা জুড়ে আতঙ্কের আবহ
advertisement
এত বছর পর ফের রাজ্যে নিপা ভাইরাস হানা দিয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হওয়ার বার্তা দিলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের সুপার।
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার সঞ্জয় মল্লিক বলেন, ভাইরাসের নমুনা ল্যাবে পরীক্ষা করা যায়। চিহ্নিত হলে চিকিৎসাও করা হবে বলে দাবি করেন তিনি। তবে জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং জরুরি পরীক্ষা করা আবশ্যক বলে মনে করেন চিকিৎসক মহল।
বাংলায় নিপা ভাইরাসের হানা নিয়ে চিন্তিত অনেকে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত এক নার্সকে ঘিরে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ও মঙ্গলকোট এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আক্রান্ত অবস্থায় ওই নার্স কার কার সংস্পর্শে এসেছিলেন, সেকথা জানতে জেলা স্বাস্থ্য দফতর বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে। সংক্রমণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়েছে একটি বিশেষ টিম।
