বীরভূম জেলা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের সামগ্রিক ও সুষম বিকাশের জন্য প্রান্তিক ও সিউড়ির মধ্যে এই রেল সংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই নতুন রেললাইন প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে নিম্নলিখিত বিবিধ সুবিধাগুলি সহজেই উপলব্ধ হবে:
পরিবহন ব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা ও বিকল্প পথ: এই লাইনটি সাহেবগঞ্জ লুপ (প্রান্তিক) এবং অন্ডাল – সাঁইথিয়া শাখা লাইনের (সিউড়ি) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে একটি লুপ বা বৃত্তাকার পথ তৈরি করবে।
advertisement
আর্থ-সামাজিক সুবিধা: সিউড়ি হল বীরভূম জেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর এবং বোলপুর/প্রান্তিক হলো জেলার বৃহত্তম মহকুমা শহর তথা অন্যতম প্রধান শিক্ষা কেন্দ্র। এই সরাসরি রেল সংযোগ জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্রের সাথে সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্রের মেলবন্ধন ঘটাবে এবং জনসাধারণের যাতায়াতকে আরও সহজতর করবে।
পর্যটন ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন: ইউনেস্কো স্বীকৃত শান্তিনিকেতন, বক্রেশ্বর উষ্ণ প্রস্রবণ, তারাপীঠ এবং অন্যান্য তীর্থস্থানগুলিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পর্যটন শিল্পকে এই প্রকল্প আরও সমৃদ্ধ করবে।
শিক্ষা ক্ষেত্রে সংযোগ: এটি সরাসরি জেলা সদর এবং পশ্চিম বীরভূমের (রাজনগর/দুবরাজপুর এলাকা) ছাত্রছাত্রীদের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত করবে, ফলস্বরূপ প্রতিষ্ঠানগুলির ভৌগোলিক পরিধি ও গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে।
প্রান্তিক – সিউড়ি (৩৩.৯৮ কিমি) নতুন রেল লাইন প্রকল্পের এই পুনরুজ্জীবন শুধু যে আঞ্চলিক সংযোগ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে তাই নয়, বরং এই প্রান্তিক অঞ্চলগুলিকে দেশের বৃহত্তর রেল মানচিত্রের সাথে যুক্ত করে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জীবনযাত্রায় এক আমূল পরিবর্তন আনবে।
