অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় প্রায়ই তাঁর স্ত্রী স্কুলে আসেন। তবে সেখানে এসে তিনি প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসা, হাতে ছড়ি ঘোরানো থেকে শুরু করে মিড-ডে মিল কর্মী, শিক্ষা কর্মী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি তিনি নাকি শিক্ষকদের বিভিন্ন নির্দেশও দিয়ে থাকেন, যা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে অপমানজনক বলে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতিকে আগেই জানানো হলেও কোনও ফল মেলেনি বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে ডিআই অফিসে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হয়। তাতেও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়ায় বাধ্য হয়ে আন্দোলনের পথে নামেন তাঁরা। খবর পেয়ে শান্তিপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধর্নারতদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষয়টি উচ্চতর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
advertisement
সম্প্রতি নদিয়ারই এক স্কুলে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের মিড ডে মিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। সরব হলেন এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা। চাপে পড়ে দোষ স্বীকার করে টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষক। নদিয়া জেলার তেহট্টে ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে, তেহট্টের হরিপুর পশ্চিমপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিড ডে মিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিভাবক ও শিক্ষকদের একাংশের দাবি, বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের সই নকল করে চেকের মাধ্যমে মিড ডে মিলের টাকা তুলে নেন ওই হেড মাস্টার। তারপরে ফের নদিয়ারই স্কুলে হেড-মাস্টার বিতর্ক।
