দুষ্কৃতীরা পরপর দুটি সোনার দোকানের তালা এবং শাটার ভেঙে দোকানের সমস্ত সোনা দানা নিয়ে যায়। চুরি যাওয়া দোকানের মালিকেরা জানান, আনুমানিক পাঁচ থেকে ছ’লক্ষ টাকার একটি সোনার দোকান থেকে এবং অন্য সোনার দোকান থেকে প্রায় দুই থেকে তিন কেজি রুপো এবং অন্যান্য অলংকার খোওয়া গিয়েছে। তৃতীয় দোকানটির শাটার ভাঙলেও দোকানে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি দুষ্কৃতীরা। একটি রেডিমেড দোকানেও তালা ভেঙে ঢুকে ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলে ব্যবসায়ীর অভিযোগ।
advertisement
আরও পড়ুন: ভোটের কাজে বাধা দিলেই মিলবে চরম শাস্তি, দায়িত্ব পালনে গাফিলতি হলে এফআইআর! জেলাশাসকের কড়া দাওয়াই
শনিবার সকালে দোকানের মালিকেরা এসে দেখেন, দোকানের শাটারভাঙা অবস্থায় রয়েছে। দোকানের ঢুকে দেখেন সমস্ত সোনার অলংকার গায়েব। একটি সিসিটিভি ফুটেজ থেকে দেখা যায়, মুখ ঢাকা অবস্থায় এক দুষ্কৃতী দোকানের ভেতরে রয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের অনুমান একজন ব্যক্তির দ্বারা এই দুঃসাহসিক কাজ করা সম্ভব নয়। একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে জড়িত রয়েছে। পাশাপাশি তাঁরা জানান, স্থানীয় আশেপাশের কেউ বা কারা নিশ্চয়ই জড়িত রয়েছে। না হলে এই ধরনের প্ল্যান মাফিক চুরি করা সম্ভব নয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঘটনার খবর দেওয়া হয় নবদ্বীপ থানার পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করে এবং এরপর ব্যবসায়ীদের থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। স্বাভাবিকভাবেই পরপর তিনটি দোকানে চুরিতে আশেপাশের অন্য ব্যবসায়ীরা আশঙ্কায় রয়েছেন। তাঁরা চাইছেন অবিলম্বে যাতে এই দুষ্কৃতীদের ধরা হয়। এছাড়াও চুরি যাওয়া অর্থ ও অলংকার ফিরে পেতে চান তাঁরা। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে নবদ্বীপ থানার পুলিশ।





