নানা রাজনৈতিক মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া, সরকারি প্রকল্পের খতিয়ান দেওয়ার পাশাপাশি এদিন শান্তিপুর নিয়ে ব্যক্তিগত কিছু ভাললাগাও সকলের সামনে তুলে ধরেন মমতা৷ কথা বলেন নিজের ব্যক্তিজীবনের অভিজ্ঞতা নিয়েও৷
এদিন মমতা বলেন, ‘‘আমি কেন শান্তিপুরে এলাম জানেন? আমরা এখানে মিটিং ছিল না। অন্য জায়গায় ছিল। আজ ১৫ দিন বাইরে। হোটেলে থাকতে হয়। কিন্তু হোটেলের খাবার খাই না। ওই চিঁড়ে-মুড়ি, কোনও দিন একটা ডিম সিদ্ধ— এই সব খেয়েই দিন চলে যাচ্ছে। চা বেশি খাই না। তবে সকালের চা-টা জমিয়ে খাই। ১৯৯০ সালে মার খাওয়ার পরে রান্নায় একফোঁটা ঝাল থাকলে খেতে পারি না, ঘুমোতে পারি না ঠিক করে।’’
advertisement
তারপরেই শান্তিপুরের শাড়ির প্রসঙ্গ তোলেন তৃণমূলনেত্রী৷ বলেন, ‘‘আমি যে শাড়িটা আজ পরে এসেছি, এটা শান্তিপুরের। আমি নিজের ডিজ়াইন করা শাড়ি পরি। অনেকে নকলও করে। আমার বেশ ভাল লাগে। শান্তিপুরের শাড়ি, বসাকদের শাড়ি, বাপরে কী বিখ্যাত। পুজো এলে টের পাই।’’
প্রচারসভায় গল্পের ছলে তোলেন পারিবারিক প্রসঙ্গও৷ বলেন, ‘‘আমি শান্তিপুরে মিটিংয়ে এসেছি শুনে, অভিষেকের মা বলেছে, ‘আমার জন্য দুটো শাড়ি এনো’। আমি কি এখন বাজারে যাব নাকি! মিটিংয়ে এসেছি। আসলে ও জানে। মজা করছে। এ টুকু তো ‘এক্সপেক্ট’ করতেই পারে বাড়ির বউ। সোনা-দানা চায় না। হার চায় না, দুল চায় না। নববর্ষের আগে দুটো শাড়ি চাইলে সেটা দেব না। এর জন্য কারও উপর নির্ভর করার দরকার নেই।’’
মমতার কথায়, ‘‘আমাকে তো মারবার কত চেষ্টা করছে। কিন্তু ওই কথায় আছে, ‘রাখে হরি মারে কে’। তাই ভয় পাব কেন? জন্মেছি বীরের মতো, মরবও বীরের মতো।’’
তৃণমূলনেত্রীর আশ্বাস, ‘‘আগের বার ইলেকশনের আগে বলেছিলাম, লক্ষ্মীর ভান্ডার করব। হয়েছে তো? আমি যদি ভোটের আগে এ সব বলতাম, বিশ্বাস করতেন না। আগেই সকলকে দিয়েছি। লক্ষ্মীর ভান্ডার সকলে (মহিলারা) সারাজীবন পাবেন। বিজেপি বলছে, তিন হাজার দেব। তোমরা তো বুলডোজার দেবে!’’
