দশম শ্রেণি পাশ করলেই হতে পারবেন আয়ুর্বেদ চিকিৎসক! NEET লাগবে না! জানুন সহজ উপায়
কোন ব্যাঙ্কে পার্সোনাল লোন সবচেয়ে ‘সস্তা’? সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিভিন্ন সুদের হার তুলনা করে দেখুন
এরপরই এলাকার বাসিন্দারা শান্তিপুর থানার স্থানীয় ফুলিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দিলে পুলিশ প্রশাসন তৎপর হয় বিষয়টি নিয়ে। এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে উদ্ধার হওয়া সদ্যোজাত শিশুকন্যাকে প্রথমে ফুলিয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। এখানকার চিকিৎসকরা অবস্থার অবনতি দেখে সদ্যোজাতকে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। বর্তমানে ওই সদ্যজাত শিশুকন্যা রানাঘাট হাসপাতালে আইসিইউতে সংকটজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে সেখানেই প্রথম তার মুখ থেকে কান্নার শব্দ শোনা গেছে। এলাকাবাসীর দাবি যে মা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।
advertisement
যদিও এই ঘটনায় এলাকাবাসীর দাবি একজন পুরুষ এবং একজন মহিলাকে পুকুরপাড় দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা গেছে। তবে কে বা কারা এই বাচ্চাকে এইভাবে নির্মমভাবে কষ্ট দিয়ে ফেলে গেল তা নিয়েই সংশয়ে। যদিও স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুদীপ প্রামানিক জানান সকালবেলায় ঘটনার খবর পেয়ে তিনি তৎপর হয়েছেন এবং প্রশাসনকে জানিয়েছেন ইতিমধ্যে প্রশাসন তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে তবে যে বা যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। যদি বাচ্চা লালন পালন করতে অসুবিধা হত সেক্ষেত্রে সরকারি ভাবে অনেক কাজ করা যেত কিন্তু এই নির্মম কাজ একদমই করা উচিত হয়নি।
যদিও সদ্যজাতর পরিবারের খোঁজ নিতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ। গোটা ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। এলাকাবাসীরা জানাচ্ছেন ওই পুকুরে যাওয়ার প্রধান রাস্তায় তাদের বাড়ি সেক্ষেত্রে এইরকম সন্দেহজনক কেউ যায়নি। উল্টো দিক কিষাণ মান্ডির থেকে রাস্তাতে সন্দেহজনক ওই দুজনকে সেখানে থাকা সিসি ক্যামেরা থেকে এই অমানবিক কাজের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন তাঁরা।
