যাদের স্বামী বা সন্তান দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন সেই বীর নারীদের সম্মান দেওয়া হয় এই মঞ্চে। এই অনুষ্ঠানে ব্রহ্মাস্ত্র কোর, নবগ্রাম মুর্শিদাবাদ কর্তৃক আয়োজিত হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী, এয়ার ফোর্স ও নেভি-র উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদীয়া জেলার কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী এবং শহীদ জওয়ানদের পরিবারবর্গ অংশ নিয়েছিলেন। শহীদ সেনাদের স্ত্রী ও মায়েদের ‘বীর নারী’ ও ‘বীর মাতা’ হিসাবে সম্মানিত করা হয়। এই দিনে মোট ২৮ জন বীর নারী ও বীর মাতাকে সম্মান জানানো হয়।
advertisement
আরও পড়ুনঃ মানুষের শৌচালয়ের বর্জ্য বদলে জৈব সার! পরিবেশ দূষণ রোধে রাজ্যে এই প্রথম মলমূত্র পরিশোধন প্রকল্প
এই ভেটেরান্স র্যালিতে একদিকে যেমন ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, তেমনই সেরা ও কৃতী প্রাক্তন সেনাকর্মীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি নবগ্রাম মিলিটারি স্টেশনে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে অত্যাধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম, ড্রোন ও আধুনিক সামরিক প্রযুক্তির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হল। এছাড়াও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কার্যকলাপের সরাসরি প্রদর্শনী দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠল।এছাড়াও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হল প্রাক্তন সেনাকর্মীদের বিভিন্ন অফিসিয়াল সমস্যা সমাধান। পেনশন সংক্রান্ত জটিলতা, কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সমস্যা কিংবা পারিবারিক ভাতা, মেডিক্যাল ও অন্যান্য নথিপত্র সংক্রান্ত কোন অসুবিধা থাকলে, তা সমাধানের জন্য অনুষ্ঠানস্থলেই বিশেষ হেল্পডেস্ক ও সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের বিভিন্ন সময়ে ব্যবহৃত যুদ্ধের অস্ত্র প্রদর্শনী করা হল, যা দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন বহু সাধারণ মানুষ ও প্রাক্তন সেনাকর্মীদের পরিবার। আয়োজকদের মতে, এই ভেটেরান্স র্যালি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী সেনানীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মান জানানোর পাশাপাশি তাঁদের বাস্তব সমস্যার দ্রুত সমাধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ড্রোন প্রদর্শনীর মাধ্যমে নজরদারি ও লক্ষ্য সনাক্তকরণ কৌশল প্রদর্শনে দর্শকরা প্রবল উৎসাহ দেখান। অনেকেই প্রথমবারের মতো এত কাছ থেকে আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি দেখার সুযোগ পান।





