ভোটার তালিকা যাচাই করতে গিয়ে বিষয়টি জানতে পেরে তিনি সরাসরি সুতি ২ নম্বর ব্লক অফিসে বিডিও-র কাছে ছুটে যান। সেখানে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমি যদি মারা গিয়ে থাকি, তাহলে আমাকে ডেথ সার্টিফিকেট দিন।” তাঁর কথায়, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ও জীবিত। প্রায় ১০ বছর আগে তাঁর বিয়ে হয়েছে। অথচ ভোটার তালিকায় তাঁকে মৃত দেখিয়ে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন জগতাই ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য মইদুল ইসলাম । তিনি জানান, একজন জ্যান্ত মানুষের নাম কীভাবে ভোটার তালিকা থেকে মুছে যায়? এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি আরও বলেন, আয়েশা খাতুনের কাছে এসআইআর হিয়ারিং-এর নোটিস এসেছিল। নির্ধারিত শুনানিতে তিনি সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়েছেন।
advertisement
আয়েশা খাতুন জানান, তাঁর জমা দেওয়া নথির মধ্যে রয়েছে মাধ্যমিক পাশের অ্যাডমিট কার্ড ও সার্টিফিকেট, ওবিসি সার্টিফিকেট, জন্ম সার্টিফিকেট, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, বাবার নাম-সহ ২০০২ সালের ভোটার তালিকার কপি। ছিল একাধিক প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র। তবুও কেন তাঁর নাম ‘ডিলিট’ দেখাচ্ছে? প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
জঙ্গিপুর মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কী কারণে ভোটার তালিকা থেকে ডিলিট হল নাম, তা খতিয়ে দেখা হবে।





