উৎসবকে কেন্দ্র করে ঢল নামল মুর্শিদাবাদে। মাদলের তালে শুরু হয় নগর কীর্তন। রথে সুসজ্জিত প্রভু বন্দুসুন্দর ও গুরুদেব শ্রীপাদ কুঞ্জদাসজীর প্রতিমূর্তি নিয়ে শহর পরিক্রমা করেন ভক্তরা। বহরমপুরের রাজপথে তখন ভেসে আসে ‘হরিনাম’-এর ধ্বনি। শোভাযাত্রা ঘুরে ফেরে গ্রান্টহল প্রাঙ্গণে। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় ‘বন্ধু কথা’ পাঠ ও শুভ অধিবাস কীর্তন—যেখানে ভক্তদের আবেগ ও আধ্যাত্মিকতার মেলবন্ধন স্পষ্ট।
advertisement
আরও পড়ুন: আর কলকাতা নয়, ঘরের কাছেই মিলবে উন্নত চিকিৎসা! ৪০ লক্ষের চিকিৎসা বিপ্লব করিমপুর হাসপাতালে
ভোর থেকেই প্রাঙ্গণে জমতে শুরু করেন ভক্তরা। দিনভর মহানাম সংকীর্তন, শ্রীশ্রীচন্দ্রপাত এবং সন্ধ্যায় আরতি কীর্তনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয় তিথি-উদ্যাপন। মধ্যাহ্নে প্রভুর ভোগারতির পর সর্বসাধারণের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। বহরমপুর ছাড়াও ডাহাপাড়া ধাম ও জিয়াগঞ্জ থেকে বহু ভক্ত উপস্থিত হয়ে এই মহোৎসবে সামিল হন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আয়োজকদের কথায়, কেবল আচার নয়—ভক্তদের সম্মিলিত অংশগ্রহণই এই উৎসবের প্রাণ। তাঁদের বিশ্বাস, মহানামের মধ্য দিয়েই সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। সেই বার্তাকেই সামনে রেখে প্রতিবছরের মতো এ বারও ভক্তি ও মানবিকতার এক অনন্য মেলবন্ধনের সাক্ষী রইল বহরমপুর।





