প্রথম শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে ৭৮০০ জন এই পরীক্ষা দিয়েছিল। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করেছিলেন স্থানীয় স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষিকারা। এছাড়াও তাঁরাই দেখেছিলেন উত্তরপত্র। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হয় উৎসবের মেজাজে। এদের মধ্যে থেকে প্রথম ১০০জনকে বাছাই করে নিয়ে তাদের আগামী দিনে শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কান্দি হ্যালিফক্স মাঠে একটি অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েই খুদে শিশুদের হাতে মেডেল, শংসাপত্র ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: এখনই সাবধান না হলে বিপদ, পরিবেশ বাঁচাতে এবার আসরে খুদে পড়ুয়ারা! এইসব নাটক দেখলে ভয়ে বুক কাঁপবে
প্রথম শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেণীর মোট ৩৬জনকে বিভিন্ন পরীক্ষার সেন্টার ভিত্তিক প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় হিসেবে ৪০০জনকে পুরস্কৃত করা হয়। কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার জানিয়েছেন, বহু মেধাবী ছাত্র ছাত্রীরা রয়েছে। তাদের কথা মাথায় রেখেই আমরা এই অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করে পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলাম। ৭৮০০ জনের মধ্যে থেকে প্রথম ১০০জনকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাদের ভবিষ্যতে পড়াশুনার দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। কান্দি পৌরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক জানিয়েছেন, বৃত্তি পরীক্ষার মতোই আমরাও এই মেধা অনুসন্ধান পরীক্ষা চালু করা হয়েছে এই বছর প্রথম। আগামী দিনে প্রত্যক বছর এই পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাতে ছাত্ররা মেধার পরিচয় দিতে পারবে। এছাড়াও ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত মেধা অনুসন্ধান – ২ আগামী দিনে করা হবে। যাতে ছাত্র ছাত্রীরা নিজেদের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারেন।





