মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় তাঁর ‘বাবরি মসজিদ’ তৈরি করার প্রকল্প নিয়ে রীতিমতো ঝড় উঠেছিল রাজ্য রাজনীতিতে৷ ঘটনাপ্রসঙ্গ আলোচিত হয় জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটেও৷ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে গত বছরের ডিসেম্বরে সাংবাদিক বৈঠক করে হুমায়ুন কবীরকে দল থেকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করেন ফিরহাদ হাকিম৷
advertisement
সেই হুমায়ুনই তারপর মার্চে তৈরি করেন তাঁর নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি৷ বুধবার নিজের পার্টির প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে হুমায়ুন জানিয়েছেন, তিনি নিজে বেলডাঙা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না৷ অথচ, রাজবনৈতিক মহলে জোর জল্পনা ছিল, যেহেতু বেলডাঙাতেই তৈরি হচ্ছে তাঁর ‘বাবরি মসজিদ’ তাই সেখান থেকেই ভোটে লড়বেন তিনি৷ বাস্তবে হুমায়ুন জানালেন, তিনি রেজিনগর এবং নওদা থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন৷
নওদা আসনে আবার বিদায়ী বিধায়ক সাহিনা মমতাজ খানকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। সেই আসনে সাহিনাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে কোমর বাঁধছেন তৃণমূলের নিলম্বিত নেতা হুমায়ুন। কেউ কেউ মনে করছেন, নওদায় তৃণমূলের ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের’ যে অভিযোগ রয়েছে, তা থেকে ফায়দা তুলতে এই পদক্ষেপ করেছেন তিনি।
বেলডাঙায় হুমায়ুন প্রার্থী করেছেন, তাঁর দলের রাজ্য সভাপতি সৈয়ব আহমেদ কবিরকে৷ অন্য দিকে, কান্দিতে প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন জামাই ইয়াসির হায়দার।
হুমায়ুনের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রের খবর, হুমায়ুন জানিয়েছেন, তৃণমূলের টিকিট না পাওয়ার কয়েকজন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন৷ ফরাক্কার মনিরুল ইসলাম, জলঙ্গির আব্দুর রাজ্জাক, বেলডাঙার হাসানুজ্জামানের অনুগামীরা সেই তালিকায় রয়েছেন বলে ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন হুমায়ুন। তাঁরাও তালিকায় জায়গা পান কি না সেটা জানা যাবে ২২ মার্চে৷
