তিনি বলেন, ”সরকারি প্রকল্প এখানে যে কেউ যেতে পারে। আমি বলব এটাকে অনলাইন করে দাও। কেন লাইন দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সদিচ্ছা থাকলে এটাকে অনলাইন করে দেওয়া হোক। পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত সরকারি সংস্থা মহকুমা শাসক থেকে পৌরসভা, সেখানে কেন দাঁড় করিয়া রাখা হচ্ছে বাংলার যুবকদের। তাদের মানসম্মানে লাগছে, অভাবের তাড়নায় বেকারদের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।”
advertisement
অধীরের সংযোজন, ”তাদের যদি সত্যি মর্যাদা ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে, সব কিছু অনলাইন হলে, যুবসাথী অনলাইনে কেন হচ্ছে না। ২০১৩ সালে যুবশ্রী প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। সেই প্রকল্প চালু থাকা সত্ত্বেও কত মানুষ টাকা পেয়েছিল এবং বর্তমানে আবার যুবসাথী কেন আনা হল নতুন করে? তাহলে যুবশ্রীতে কত বরাদ্দ ছিল, আর যুবসাথী-তে কত বরাদ্দ করা হয়েছে, তা পৃথক ভাবে বিবরণ দিন মুখ্যমন্ত্রী।” মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে এমনই মন্তব্য করেন অধীর চৌধুরী।





