শীতের শেষের দিকে এই চাহিদা আকাশছোঁয়া। বেশ ট্রেন্ডি এই সমস্ত জিনিসপত্র। চাহিদা বাড়ায় খুশি বিক্রেতারা। চাহিদা অনুযায়ী এই জিনিসপত্রগুলি ঠিকমত জোগান দেওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন এক বিক্রেতা ইন্দ্রজিৎ দেবনাথ। তিনি জানান, মাঝে একটা সময় এই সমস্ত জিনিসপত্র কেউ নিতেন না। মাটির জিনিসপত্রের বদলে প্লাস্টিকের জিনিসপত্র ব্যবহার শুরু হয়। ফলে অনেক মৃৎশিল্পী এই সমস্ত জিনিসপত্র তৈরির আগ্রহ হারাচ্ছিলেন। বর্তমানে নতুন করে চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু এখন আর সেভাবে এই জিনিসপত্রগুলি তৈরি না হওয়ায় জোগান দেওয়া যাচ্ছে না। অপরদিকে গরম বাড়তে থাকায় বিগত কয়েকবছর ধরেই মাটির বোতল, গ্লাস, থালার চাহিদা বাড়ছিল।
advertisement
এ নিয়ে মৃৎশিল্পীরা জানিয়েছেন, ‘বছরখানেক ধরে মাটির বোতলের ব্যাপক চাহিদা। ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৯০ টাকা দরে এখান থেকে জিনিসপত্র নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। শহরে সেগুলি দ্বিগুণ, তিনগুণ দামে তা বিক্রি হয়। সম্প্রতি মাটির থালা-গ্লাসেরও ভালে চাহিদা বেড়েছে। বিয়েবাড়িতে, রেস্তোরাঁতে এই মাটির থালাতে ভাত দিচ্ছেন অনেকেই।’ ব্যাপারটি আগের থেকে অনেক ট্রেন্ডি হয়ে উঠেছে। ফলে খুশি মৃৎশিল্পী থেকে ব্যবসায়ীরা। তবে আগের মতো উৎপাদন হলে খুব ভাল হবে জানিয়েছেন তাঁরা।