মমতা বলেন, ‘‘নোটবন্দির সময় বিরোধিতা করেছিলাম। বলেছিলাম, এতে মানুষের ক্ষতি হবে। আমার কাছে সেই সময় একদিন অভিষেকের মা ছুটে এল। ও আমার কাছে থাকে। আমাকে বলল, ‘দিদি, দিদি! ৫০০ টাকা দেবে?’ আমি বললাম কেন? ও বলল, ‘সব টাকা তো জমা করে দিতে হবে। এ টাকা তো চলবে না। তা হলে আমি বাজার করব কী করে? মা-বোনেদের দুঃসময়ের পুঁজি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। একটি মেয়ে সে বেঙ্গালুরুতে থাকে। তার বাড়ির একজন আমাদের কাছে থাকে। সে-ও বলেছিল, ১০০টা টাকা দেবে। আমি সে দিন ঠিক করেছিলাম লক্ষ্মীর ভান্ডার।’’
advertisement
তাঁর নিজেরও রয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার৷ এদিন মমতা জানালেন, ‘‘আমার নিজেরও লক্ষ্মীর ভান্ডার আছে। তাতে পাঁচ টাকা, দশ টাকা জমা করি। কালীপুজোর সময় একটা কিছু মাকে দিই। আমরা ধর্মের নাম করে হানাহানির কথা বলি না। তুমি চুপি চুপি ছুপারুস্তমের মতো লোক ঢোকাও নিজের স্বার্থে। আমার পরিবারেরও দু’-এক জনের নাম বাদ গিয়েছিল। এখন উঠেছে। ওরা ভাবছে, এ ভাবে সরকার নিয়ে নেবে? এত সহজ? পরশুদিন নাকি আইটিবিটির ডিজি এসেছিল কলকাতায়। বলেছে মেয়েদের পরীক্ষা করে দেখা হবে। চেক করা হবে। আমি বললাম, বাংলা কিন্ত অন্যরকম। মেয়েদের দিয়েও যদি গায়ে হাত দিয়ে কোনও রকম অসম্মান করো, তারা কিন্তু মুখ বুজে থাকবে না। প্রতিবাদ করবে।’’
