এদিনের জনসভা থেকে মমতার অভিযোগ, ‘১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দেব বলেছিল। কিন্তু আগেই ৫৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে ৬০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে। বিজেপির নাম ঢুকিয়েছে। এগুলো বিজেপির পার্টি অফিস থেকে ঠিক হয়েছে। লিস্ট টাঙানো হচ্ছে না। কোনও দলকে দেয়নি, প্রেসকে দেয়নি, লুকিয়ে রেখেছে! বিজেপির রাজনীতি, একটাই দল থাকবে। বিজেপির রাজনীতি সব রাষ্ট্রায়ত্ত সম্পত্তি বিক্রি করে দেবে। দেশটাকে ওরা বেঁচে দেবে।’
advertisement
নির্বাচনের কমিশনের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাদবাকি লিস্ট (অতিরিক্ত ভোটার তালিকা) দ্রুত প্রকাশ করুন।” যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের জন্য ট্রাইবুনালে বিনা পয়সায় আইনজীবী দেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করেন মমতা। তিনি বলেন, “আমাদের সংগঠকদের বলব, যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দরখাস্ত নিন। এবং এই দরখাস্তগুলো ট্রাইবুনালে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। তাঁদের জন্য বিনা পয়সায় আইনজীবী দেওয়া হবে। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, আইনজীবী তাঁদের হয়ে ট্রাইবুনালে লড়াই করবে।”
আরও পড়ুন:’আবার নাকি লকডাউনের কথা ভাবছে’, ভোটের আগে বিজেপির বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ মমতার
ক্রমাগত গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, গ্যাসের জোগানে ঘাটতির প্রসঙ্গ টেনে মমতার অভিযোগ, ‘আবার লকডাউনের পরিকল্পনা করছে। তবে ওটা করে মানুষের হাতে তালা লাগাতে পারবে না। কেউ কেউ বলছিলেন, আবার নাকি লকডাউনের কথা ভাবছে, যাতে লোকে বেরোতে না পারে। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয়। কোভিডের সময় তো ছিল। ২০২১ সালে। তখন যদি ভোট করতে পারি, এখন যতই লকডাউন করো, মানুষের মুখে হাতে তালা-চাবি লাগাতে পারবে না। ওটা মানুষের নিজস্ব অধিকার।”
