আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মৃত এবং নিখোঁজদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করা হবে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর এ কথা জানিয়েছিলেন কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানান, পরিবারপিছু ১০ লক্ষ টাকা করে সাহায্য করা হবে।
বুধবার সিঙ্গুরের সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন , ” সিঙ্গুর আমার ফেভারিট জায়গা। ২০০৬-২০০৮ এখানে কাটিয়েছি। রাস্তায় কাটিয়েছি। বাড়ি থেকে কেউ মুড়ি, নারকেল নাড়ু, সবজি নিয়ে এসেছে, যারা ওখানে ধরনা দিত, তাঁদের জন্য। ২৬ দিন অনশন করেছি সিঙ্গুরের জন্য। যারা এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, আমি তাঁদের সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা আমাদের প্রেরণা।”
advertisement
মমতার সংযোজন, ” এই সিঙ্গুরে আজও মানুষ টাকা পায়। যারা জমি হারিয়েছিল…। খাদ্যসাথী পায়। ট্রমা কেয়ার সেন্টার হয়েছে। এখানে অ্যাগ্রো ইন্ড্রাস্ট্রি পার্ক করছে। ২৮ প্লটের মধ্যে ২৫ প্লট কাজ হয়ে গিয়েছে। এছাড়া ওয়্যার হাউজ হচ্ছে। সেখানেও কর্মসংস্থান হবে হাজার হাজার।” তিনি আরও বলেন, ”গণতান্ত্রিক উপায়ে কেউ না কেউ বিরোধী থাকবে। সেটাই গণতন্ত্র। পছন্দ না হলেও। তা বলে এজেন্সি দেখাবেন। আমি এমনিতে চুপ থাকি। কিন্তু আমাকে রাগালে আমি টর্নেডো, কালবৈশাখী হয়ে যাই। আম গাছে আমড়া হয় না। বাংলা ভাষায় কথা বললে মারবেন আর বাংলা দখল করবেন?”
