জানা গিয়েছে, মৃত মহিলার নাম লক্ষ্মী দাস, বয়স ৫৫ বছর। পরিবারে রয়েছে দুই ছেলে, স্বামী মারা গিয়েছেন বেশ কিছু বছর আগে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিশের কনস্টেবল পদে কাজ করতেন মহিলার স্বামী। তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পর সেই চাকরি পান ছোট ছেলে বিকাশ দাস। তিনি বর্তমানে মালদহ সংশোধনাগারে কর্মরত।
advertisement
যদিও এই ঘটনায় স্থানীয় কাউন্সিলার পলি সরকারের অভিযোগ করে বলেন, “দুই ছেলেই মদ্যপ। এলাকার মানুষের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ভাল ছিল না। খুব খারাপ ব্যবহার করত। ছেলেরা অসুস্থ মাকে দেখাশোনা করতেন না। দোলের সময় থেকে বাড়িতে একাই থাকতেন ওই মহিলা। আজ সন্ধ্যায় প্রতিবেশীরা দেখেন ওই বৃদ্ধার বড় ছেলে কৃষ্ণ দাস মায়ের নিথর দেহ তিনতলার ছাদ থেকে একতলায় নামিয়ে নিয়ে আসেন। তা দেখেই সন্দেহ হয় এলাকার মানুষের।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এদিকে এই ঘটনায় প্রতিবেশীরা মৃতদেহ সরিয়ে নিতে বাধা দেন বড় ছেলেকে। এক প্রতিবেশী গোপাল চন্দ্র দাস জানান, “কিছুদিন আগে টাকা পয়সা নিয়ে পরিবারে ঝামেলা হয় তাদের। এরপর থেকেই অসুস্থ অবস্থায় একা থাকতেন ওই মহিলা। আচমকা এই ঘটনা দেখে অবাক লাগছে। অসুস্থতার কারণে মৃত্যু নাকি অন্য কোনও কারণ পুলিশ দেখছেন।” ঘটনায় খবর দেওয়া হয় ইংরেজবাজার থানায়। পুলিশ এসে ওই মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে। খুন নাকি অন্যকিছু মহিলার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান হয় মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এদিকে এই ঘটনায় মৃত মহিলার বড় ছেলে কৃষ্ণ দাসকে আটক করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।






