কমিটির মুখপাত্র অলিক চক্রবর্তী জানান, বাম শরিক হিসেবে আইএসএফকে সমর্থন করলেও আরাবুল ইসলামের প্রার্থী হওয়ায় সেই নৈতিক সমর্থন প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে নিজেরাই নির্বাচনে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিটি। প্রার্থী মির্জা হাসানের দাবি, আরাবুল ইসলামের বিরোধিতাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি, গত কয়েক বছরে এলাকায় উন্নয়নের কাজের ভিত্তিতেই মানুষের সমর্থন পাওয়ার আশাবাদী তাঁরা।
advertisement
আরও পড়ুন: হাতে পদ্মফুল, নৌকা চড়ে সুন্দরবনের নদী আর খাড়িতে ঘুরছেন এই প্রার্থী! কেন?
দু-সপ্তাহ আগেই সিপিআইএমএল লিবারেশন বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট বেঁধে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে জানায়। সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের রাজ্য কমিটি জানিয়ে দিয়েছিল, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ১০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে তারা। সেই মতোই দশ আসনে প্রার্থী দিয়েছে তারা।
আরও পড়ুন: ভোলেনাথের ভরসায় ভোটের লড়াইয়ে বিজেপির কৌশিক, বলছেন, ‘চেয়ারে বসব না, মাটিতেই…’! কেন?
বাংলায় ছাব্বিশের নির্বাচনে বামফ্রন্টের সঙ্গে যে তাঁরা জোট গড়বেন, অনেকদিন আগেই এই বার্তা দিয়েছিলেন সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের পর কাছাকাছি আসে বামফ্রন্ট ও সিপিআই(এমএল) লিবারেশন।
কল্যাণ মণ্ডল
