ঘাড়ের উপর ভায়োলিন রেখে বিদেশি কায়দায় আজও যেভাবে বেহালা বাজান, তা নজর কাড়ছে সকলের। এই বয়সেও তাঁর সুরেলা পরিবেশনা মনোমুগ্ধ করছে শ্রোতাদের। শৈশবকাল থেকেই বাবার কাছেই বেহালা বাজানোর হাতেখড়ি ভগবান মালির। জীবনের নানা পর্যায়ে অন্য কাজ করলেও সংগীতের প্রতি নেশা কখনও কমেনি। সময়ের সঙ্গে সেই নেশাই পেশায় পরিণত হয়েছে। বর্তমানে নিজে বেহালা বাজানোর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে এই বিশেষ বাদ্যযন্ত্র শেখাচ্ছেন তিনি।
advertisement
ভগবান মালি জানান, “বড় কোনও মঞ্চে জায়গা না পেলেও রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে পথচলতি মানুষদের জন্য বাজাই। কখনও শহরে, কখনও আবার গ্রামের রাস্তায়। অনেক সময় বিয়েবাড়ি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কিংবা পিকনিকেও ডাক আসে। এতে সংগীতপ্রেমীদের মন জয় হয়, আবার সামান্য উপার্জনও হয়ে যায়।”
সঙ্গীতা পাণ্ডে নামে এক সংগীতপ্রেমী জানান, “প্রায়ই রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ওনাকে বেহালা বাজাতে দেখি। খুব মধুর সুরে সংগীত পরিবেশন করেন। ওনার এই প্রতিভা সত্যিই প্রশংসনীয়। তাই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ষাটোর্ধ্ব এই সংগীতশিল্পীর প্রতিভা আজ নজর কাড়ছে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সংগীত অনুরাগীদের। আগামী দিনে নিজের এই সংগীতকলা বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন ভগবান মালি। তাঁর আশা, পেশাগত ধারা হিসেবে এই শিল্পকলার আরও প্রসার ঘটুক।





