পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের নাম অঙ্কিত কুমার পাসোয়ান, শ্রীকান্ত মণ্ডল ও নুর আক্তার। তাঁদের প্রত্যেকের বাড়ি বিহারের কাটিহার জেলায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিশচন্দ্রপুরে তৃণমূল প্রার্থী মতিউর রহমানের ছবি তুলতে সভায় উপস্থিত হয়েছিল তারা।
শনিবার মালদহের মালতিপুর বিধানসভার সামসিতে সভা শেষ করে মুখ্যমন্ত্রী যখন হেলিকপ্টারে উঠছিলেন, ঠিক সেই সময়ই হেলিকপ্টারের সামনে ড্রোন উড়তে দেখা যায়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী এবং সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তারক্ষীদের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। মুহূর্তের মধ্যেই তৎপর হয় পুলিশ। ভিড়ের মধ্য থেকে ওই তিন যুবককে ড্রোন-সহ আটক করা হয়। পরে তাঁদের গ্রেফতার করে চাঁচল থানার পুলিশ। এই ঘটনায় নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
advertisement
মালতিপুরের জনসভা সেরে গাজোল যাওয়ার সময় হেলিকপ্টারে ওঠার সময় নজরে পড়ে ড্রোনের গতিবিধি। বেশ কিছুক্ষণ হেলিকপ্টারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে নিজে বিষয়টার উপর নজর রাখেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। বললেন, “কারা এসব করছেন, তা নজরে রাখা দরকার। পুলিশের এদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।” ঘটনার পরই জড়িত সন্দেহে তিন যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের সময় আকাশপথ পরিষ্কার থাকার কথা। সেখানে এই ড্রোনের ঘোরাফেরা নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়।
বেশ কিছুক্ষণ মুখ্যমন্ত্রী নিজে হেলিকপ্টারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে উদ্বিগ্ন দৃষ্টিতে রহস্যময় ড্রোনটির গতিবিধিতে নজরদারি চালান। এরপরই ঘটনার পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলেই ইঙ্গিতে দাবি করেন তিনি। বলেন, “কারা এসব করছেন, তা নজরে রাখা দরকার। পুলিশের এদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।” ঘটনার পরই জড়িত সন্দেহে তিনযুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে থাকা মোবাইল-সহ একাধিক গেজেট বাজেয়াপ্ত করা হয়।
