এই ধরনের ঘটনা আটকাতেই ভারতে ড্রোনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে নির্দিষ্ট আইন অথবা গাইডলাইন প্রয়োজন বলেও দাবি করেছেন শুভাগত বাবু৷
এ দিনে মালতীপুরে হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় ড্রোন চলে আসার পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ’হেলিকপ্টার উড়তে গেলেই দুর্ঘটনা ঘটে ধ্বংস হয়ে যেত৷ কারা করছে এসব? পুলিশের এটা নজরে রাখা দরকার৷ কারা করেছে, খুঁজে বের করতে হবে৷’
advertisement
এই ঘটনা প্রসঙ্গে পাইলট শুভাগত জোয়ারদার বলেন, হেলিকপ্টারের সামনে ড্রোন চলে আসায় বিপদ হতে পারত কি না সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়৷ যখন কোনও হেলিকপ্টার ওড়ে তখন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের দায়িত্ব থাকে তার আশপাশের এয়ারস্পেসকে পরিষ্কার করা৷ আজকাল ড্রোনের ব্যবহার বেড়েছে৷ ফলে এই ধরনের ড্রোন যাতে হেলিকপ্টার বা বিমানের সামনে না আসে তা নিশ্চিত করাটা জরুরি৷
এই ঘটনার পিছনে কারও গাফিলতি রয়েছে কি না, তাও এখনই নিশ্চিত ভাবে বলা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছেন শুভাগত বাবু৷ তিনি বলেন, এটা কোনও গাফিলতি কি না বলা সম্ভব নয়৷ কারণ ড্রোনকে কোন এয়ার স্পেসে উড়তে দেওয়া সম্ভব, সেগুলিকে কে নিয়ন্ত্রণ করবে, এই ধরনের ড্রোনের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে কি না, সেগুলির চিহ্নিকরণ কীভাবে হবে, সে সম্পর্কে আমাদের দেশে কোনও নির্দিষ্ট আইন অথবা নিয়ম নেই৷ কিন্তু যে ঘটনা ঘটেছে তাতে উদ্বেগ ছড়ানো স্বাভাবিক৷
তবে এই ঘটনায় যে বিপদের সম্ভাবনা ছিল, তা অস্বীকার করেনননি শুভাগতবাবু৷ তিনি বলেন, হেলিকপ্টারের সঙ্গে যদি এই ধরনের ড্রোনের সংঘর্ষ ঘটে তাহলে তো বিপদ হতেই পারে৷ সেই কারণেই ড্রোন ওড়ানো নিয়ে নির্দিষ্ট গাইডলাইন তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি৷ সর্বভারতীয় স্তরে এটা নিয়ে আলোচনাও প্রয়োজন৷ শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন, যে কোনও ভিভিআইপি-র নিরাপত্তার ক্ষেত্রেই একই কথা প্রযোজ্য৷
