তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের কাছ থেকে একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছে এনআইএ-র দল। পাশাপাশি, কখন পুলিশ প্রথম খবর পেয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়েছে এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল—সেই সমস্ত বিষয়ও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত যত তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তার সবই এনআইএ-কে জানানো হয়েছে বলে খবর। কলকাতার দফতরে এই সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখে আইজি সোনিয়া সিং উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করছেন বলেও জানা গিয়েছে। ওই বৈঠকে তদন্তের অগ্রগতি এবং প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলছে।
advertisement
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ—সেই সমস্ত তথ্যও এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সব দিক বিচার করে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে এফআইআর দায়ের করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার কেন্দ্র থেকে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির দল এআইএমআইএম-এর প্রার্থী হয়েছিলেন কালিয়াচক কাণ্ডে ধৃত মোফাক্কেরুল ইসলাম৷ সেই সূত্রেই তাঁকে মিম-এর নেতা বলে দাবি করা হচ্ছে৷
এ দিন মালদহে আদালতে তোলার সময় অবশ্য মোফাক্কেরুল দাবি করেছেন, তাঁর সঙ্গে ওয়াইসির দলের কোনও যোগ নেই৷ এবার মালদহ জেলায় মিম-এর সভাপতি রেজাউল করিমও দাবি করেছেন, কালিয়াচক কাণ্ডে ধৃত মোফাক্কেরুল ইসলাম সরাসরি তাঁদের দলের সঙ্গে যুক্ত নন৷
মোফাক্কেরুলকে দলের নেতা হিসেবে মানতে না চাইলেও অবশ্য ধৃত আইনজীবীর পাশে দাঁড়িয়েছেন মালদহ জেলার মিম সভাপতি৷ মোফাক্কেরুলকে মালদহের আদালতে তোলার সময়ও হাজির ছিলেন তিনি৷ মিম-এর জেলা সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, ‘প্রচুর মানুষের ভোটাধিকার খর্ব করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়েই গ্রেফতার হয়েছেন মোফাক্কেরুল।’
