নিজের স্কুলেই পরীক্ষা সেন্টার বলেই জানতেন ওই ছাত্রী। সেই মতো পরীক্ষার দিন ওই পরীক্ষার্থী নিজের স্কুলে হাজির হয় মায়ের সঙ্গে। পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করার সময় পুলিশ জানতে পারেন জয়নগর পল্লীশ্রী শিক্ষা নিকেতনের ওই ছাত্রীর পরীক্ষা সেন্টার গঙ্গাধরপুর বালিকা বিদ্যামন্দির। দূরত্ব প্রায় ৪ কিমি। হাতে অল্প সময়, স্কুল লাগোয়া গ্রামীণ রাস্তায় পাবলিক যানবাহন চলাচল করে না। কীভাবে পৌঁছবে পরীক্ষা কেন্দ্র? এমন অবস্থায় ছাত্রী এবং তার পরিবার চিন্তিত হয়ে পড়েন। অল্প সময়ে পায়ে হেঁটে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছনোও সম্ভব নয়।
advertisement
সেই মুহূর্তে জয়নগর পল্লীশ্রী শিক্ষনিকেতনে হাজির ছিলেন অ্যাডিশনাল এসপি হেডকোয়ার্টার- সন্তোষ কুমার মণ্ডল, ডিএসপি হেডকোয়ার্টার-অমিতাভ কোনার, ভাস্কর মল্লিক, মহিলা পুলিশ কর্মী সাব-ইন্সপেক্টর শ্রাবণী রায়, মহিলা কনস্টেবল সহ অন্যান্য পুলিশ কর্মীরা। তারাই ছাত্রীকে তার পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। আমিনা সেপাই নামের ওই স্কুল ছাত্রীকে পাঁচলা থানার পুলিশকর্মী ভাস্কর মল্লিক নিজের বাইকে চাপিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যান। সময়মতো পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দাঁড়িয়ে থেকে ওই ছাত্রীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করান।
স্কুল ছাত্রীর মা হালিমা সেপাই জানান, ভুল করে নিজের স্কুলেই মেয়েকে নিয়ে আসেন তিনি। স্কুলে আসার পর জানতে পারেন, পরীক্ষা হচ্ছে অন্য স্কুলে। হাতে অল্প সময়ে কীভাবে পৌঁছবো বোঝার উপায় ছিল না। সেই সময় পুলিশ সহযোগিতা করে তাকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়।






