পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছু দিন আগে শ্রমনা দাস ও সমীর সেন মুম্বই পালানোর চেষ্টা করেন। অনির্বাণ দাসের অভিযোগের ভিত্তিতে দমদম বিমানবন্দরে তাঁদের আটক করা হয়। অভিযোগ, ওই সময় তাঁদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও সোনাদানা উদ্ধার হয়। এরপর NSCBI Airport Police Station-এর পুলিশ দু’জনকে গ্রেফতার করে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মোহনপুর পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কয়েকদিন হাজতবাসের পর তাঁরা জামিনে মুক্তি পান।
advertisement
অভিযোগ, জামিনে মুক্ত হওয়ার পরই অনির্বাণ দাসকে খুনের পরিকল্পনা করা হয়। ফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে কীভাবে ওই ব্যবসায়ীকে সরিয়ে দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল বলে দাবি পরিবারের। অনির্বাণ দাসের হাতে ওই কথোপকথনের অডিও ও ভিডিও ফুটেজ এসেছে বলেও জানা গিয়েছে। সেই সিসি ক্যামেরা ফুটেজ ও কল রেকর্ডিং ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
ঘটনার জেরে অনির্বাণ দাস ও তাঁর পরিবার আতঙ্কে রয়েছেন বলে দাবি। ইতিমধ্যে মোহনপুর থানায় স্ত্রী শ্রমনা দাস ও সমীর সেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে। সমস্ত অডিও-ভিডিও প্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
