দেবী বর্গভীমার মন্দিরে প্রতিদিন শত শত ভক্ত অন্নপ্রসাদ গ্রহণ করেন। প্রায় দু’বছর আগে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের (FSSAI) নিয়মকানুন মেনে মন্দির চত্বরে আমূল পরিবর্তন আনা হয়। সরকারি নির্দেশিকা পালন করতে গিয়ে কাঠ বা কয়লার চুল্লির পরিবর্তে বাণিজ্যিক গ্যাসে ভোগ রান্না করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি ও পরিবেশ রক্ষায় এই পদক্ষেপ প্রশংসনীয় হলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটিই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভোগ বিতরণের অনিশ্চয়তায় মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুদ্ধের প্রভাবে বাণিজ্যিক গ্যাসের জোগানে টান পড়েছে। পর্যাপ্ত সিলিন্ডার না পাওয়ায় ভোগ রান্না চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
advertisement
মন্দির পরিচালন কমিটির সম্পাদক শিবাজী অধিকারী বলেন, যাঁরা ভোগের জন্য আগাম বুকিং করেছিল,তাঁদের ২১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ভোগ বাতিল করা হয়েছে। আমরা নিরুপায়। বাণিজ্যিক গ্যাসের সংকট এতটাই তীব্র যে আগামী ২১ মার্চ থেকে সাধারণ মানুষের জন্য ভোগ বন্ধ রাখা হচ্ছে। তবে দেবীর নিত্যপূজা ও সামান্য পরিমাণ ভোগ নিবেদনের কাজ বজায় থাকবে।”
ছেলের উপনয়ন উপলক্ষে মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে আগাম ভোগের বুকিং করেছিলেন স্বপ্না অধিকারী। তিনি জানান, ‘আমরা মাসখানেক আগে ২০০ জনের জন্য মায়ের ভোগের বুকিং করেছিলাম। কিন্তু গ্যাস সংকটে মন্দির কর্তৃপক্ষ ফোন করে জানিয়েছে, ভোগ দেওয়া যাবে না। কী করব বুঝতে পারছি না!”





