পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৬-র ওই নাবালক বাজারে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে গিয়েছিল। অভিযোগ, সেই সময় আইনুল গায়েন নামে এক ব্যবসায়ীর দর্জির মেশিনপত্রের দোকানে চুরির সন্দেহে তাকে আটক করা হয়। দাবি করা হয়, দোকানের ড্রয়ার ভেঙে নগদ টাকা চুরি করেছে সে। এরপর কয়েকজন তাকে হাত-পা বেঁধে বেল্ট দিয়ে মারধর করে। এমনকি মারতে মারতে স্থানীয় একটি মাঠে ছোটানো হয় বলেও অভিযোগ। নাবালকের চুল কেটে দেওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। মারধরের দৃশ্য মোবাইলে তুলে ‘রিল’ বানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে নাবালককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। রাতে কুলতলি থানা-য় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাবালকের বাবা-মা। তাঁদের দাবি, সম্পূর্ণ মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ছেলেকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
advertisement
এ বিষয়ে ব্যবসায়ী আইয়ুব আলি সর্দার বলেন, ‘দোকান বন্ধ থাকার সময় নাবালক ঢুকে চুরি করেছে বলে অভিযোগ ওঠে।’ তবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া ঠিক হয়নি বলেও তিনি স্বীকার করেন। অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়াই উচিত ছিল বলে মত ব্যবসায়ী মহলের একাংশের। নাবালকের বাবা মোর সেলিম পিয়াদা জানান, তাঁর ছেলে দর্জির কাজ করে এবং সূঁচ কিনতে গিয়েছিল। ফোনে খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে যান। তাঁর অভিযোগ, ‘অকারণে ছেলেকে মারধর করা হয়েছে।’ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কুলতলি থানার এসডিপিও রামকুমার মণ্ডল জানান, ‘পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আইনি পদক্ষেপ করা হবে।’






