ঘটনাস্থলে মহেশতলা থানার পুলিশ পৌঁছলে স্কুলের শিক্ষিকারা পুলিশকে জানায়, দোতলার শ্রেণিকক্ষের নয়টি ফ্যান, একটি চাপা কল চোরেরা নিয়ে গিয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে চোর বা চোরের দল ঠিক কোনটা দিয়ে ঢুকেছিল এবং কোথা দিয়েই বা বেরিয়ে গিয়েছে তা তদন্ত করে দেখার জন্য দোতলায় গিয়ে দেখতে পান চোর বা চোরের দল মেঝেতে লিখে গিয়েছে, “আমরা ইমানদার চোর, অনেক কিছুই নেওয়ার ছিল। কিন্তু নিলাম না।”
advertisement
তবে চোরেদের মেঝেতে লিখে রেখে যাওয়া সেই কথাগুলি তদন্তের কোনও কাজে না আসলেও স্কুল এবং রাস্তায় থাকা সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখতে গিয়ে পুলিশের হাতে আসে বেশ কয়েক জনের উপস্থিতি। তাদের মধ্যে কয়েক জনকে পুলিশ চিহ্নিত করলেও এদের মধ্যে সুব্রত মণ্ডল (১৯) নামে বাটানগর গায়েনপাড়ার বাসিন্দা এক যুবককে পুলিশের সন্দেহ হয়।
যেহেতু সুব্রতর বিরুদ্ধে পুরনো কোনও মামলা ছিল না, তাই একপ্রকার সন্দেহের বশেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে তদন্তকারী আধিকারিক। আর তাতেই ভেঙে পড়ে সুব্রত। স্কুলের চুরির ঘটনা স্বীকার করে নেয় সে। শুক্রবার অভিযুক্তকে আলিপুর আদালতে পেশ করে পুলিশি হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানানো হবে।
