সোমবার দুপুরে আট সদস্যের ফরেনসিক দল পুড়ে যাওয়া কামরা পরীক্ষা করে নমুনা সংগ্রহ করল। আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে এই মুহূর্তে কিছু বলা সম্ভব নয় বলে জানান কেন্দ্রীয় ফরেনসিক দলের ডেপুটি ডাইরেক্টর পাওয়াল রমেশ। তিনি বলেন, ল্যাবে পরীক্ষার পরই বলা যাবে কীভাবে কামরায় আগুন লেগেছিল। তবে শর্ট সার্কিট বা ট্রেনের ব্যাটারি থেকে আগুন লাগেনি বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন ওই ফরেনসিক আধিকারিক।
advertisement
আট সদস্যের ফরেনসিক দল প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে তদন্ত করেন। তদন্তকারী দলে চার সদস্য রাজ্যের এবং চার সদস্য ছিলেন কেন্দ্রীয় ফরেনসিক দলের।
রবিবার ভোরে কাটোয়া রেল স্টেশনের দুনম্বর প্ল্যাটফর্মে আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জারে আগুন লাগে। হঠাৎই দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে ট্রেনের মাঝের একটি কামরা। দমকলের দুটি ইঞ্জিন প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ওই কামরায় সেসময় কোনও যাত্রী ছিল না। তাই হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি।
আরও পড়ুন- Vaibhav Suryavanshi Board Exam: বৈভব সূর্যবংশী বোর্ডের পরীক্ষা দেবেন কি! টানটান নাটক চরমে
ঘটনার খবর পেয়ে হাওড়ার ডিআরএম সহ পদস্থ আধিকারিকরা কাটোয়া স্টেশনে যান। এডিআরএমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘটনার তদন্ত করছে। স্টেশনে থাকা বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার মধ্যেই এদিন দগ্ধ কামরায় তদন্ত চালালেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ফরেনসিক রিপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ওই কামরায় দাহ্য বস্তু রাখা হয়েছিল কিনা বা দ্রুত আগুন ছড়ানোর জন্য কোনও তরল জ্বালানি ব্যবহার হয়েছিল কিনা সে ব্যাপারেও নিশ্চিত হওয়া যাবে।
