মালদহের কালিয়াচক হাইস্কুলের ভূগোল বিভাগের শিক্ষক আনিকুল। এবার এস আই আর-এর কাজে বিএলও হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি। পরিবার ও প্রতিবেশীদের দাবি, বুথে অনেকের নাম কমিশনের নতুন অবজারভেশন তালিকায় রয়েছে জানার পরেই মানসিক চাপ অনুভব করেন তিনি। গতকাল সকালেও একবার ডাক্তার দেখানো হয়। সেই সময় চিকিৎসক তাঁকে বিশ্রামের পরামর্শ দেন। কিন্তু, এরপরেও এস আর সংক্রান্ত কাজের জন্য দুপুরে বিডিও অফিসে যান তিনি। সেখান থেকে ফিরে এসে রাতে অসুস্থতা বোধ করেন। কালিয়াচকের বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয় অসুস্থ আনিকুলকে। আজ সকাল ৯ টা নাগাদ সেখানে মৃত্যু হয় তাঁর।
advertisement
এই ঘটনার পর এসআইআর প্রক্রিয়ার কাজকর্ম নিয়ে সরব হয়েছে মৃতের পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের স্কুল শিক্ষক। নিজে বি এল ও হিসেবে কাজ করছেন। অথচ, তাঁর এবং পরিবারের সদস্যদের নামেই নোটিশ পাঠিয়েছে কমিশন। প্রথমবার তাঁর, স্ত্রীর, এবং ছেলের নামে হেয়ারিং এর নোটিশ আসে।পরিবারের আরও দাবি, একে কাজের মাত্রাতিরিক্ত চাপ। তারওপর বারবার নতুন লোকজনের নামে নোটিশ। এসবের জবাবদিহি করা, শেষে নিজের নামেও অবজারভেশন তালিকায় দেখে তিনি মানসিক চাপ অনুভব করেন। অসুস্থ হওয়ার পেছনে মানসিক চাপ কাজ করেছে বলে দাবি পরিবারের। এদিকে বিএলও-র মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে শাসক দল তৃণমূল।
