সূত্র মারফত জানা গেছে, আক্রান্ত যুবকের নাম সৌম্যদীপ চন্দ। তাঁর বাড়ি কেশিয়াড়ি থানার গিলাগেড়িয়া এলাকায়। তিনি খড়গপুর লোকাল থানার রামপুরা এলাকার একটি কারখানায় কর্মরত। পরিবারের দাবি, প্রতিদিনের মতোই রবিবার কাজে যাচ্ছিলেন।
advertisement
সেই সময় খড়্গপুরের বড়া এলাকায় কিছু মানুষ তাঁকে চোর সন্দেহে ঘিরে ধরে মারধর শুরু করে। সৌম্যদীপ বারবার নিজেকে কারখানার কর্মী বলে পরিচয় দিলেও কেউ তা শোনেনি। অভিযোগ, পিছন থেকে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাঁকে খড়্গপুর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, পরে ওড়িশার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সম্প্রতি তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে।
এদিকে একই রাতে শোলাডহর এলাকায় রাত পাহারার সময় এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করেন গ্রামবাসী। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে জানায়, তিনি লালগড় থানার পীড়াকাটার বাসিন্দা এবং মানসিক ভারসাম্যহীন। পরপর এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
কুচলাচটি, শোলাডহর ও ভেটিয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় মানুষ রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেন খড়্গপুরের এসডিপিও ধীরাজ ঠাকুর। তিনি জানান, গুজব রটনাকারীদের চিহ্নিত করতে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। আইন হাতে তুলে নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সন্দেহজনক কাউকে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়ার আবেদন জানান হয়েছে।
আরও পড়ুন : ‘আমরাই সরকার গড়ছি’, ঢালাও ভোট পেয়ে ঘোষণা বিএনপি-র! বাংলাদেশে জায়গা পেল না জামাত
পাশাপাশি, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন থানায় পুলিশের তরফে প্রচার চালান হচ্ছে। আগামীতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।





