জঙ্গলমহলের রুক্ষ লাল মাটির গন্ধ আর শাল-পলাশের ছায়ায় ঘেরা এই গ্রাম এখন অফবিট পর্যটনের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। ঝাড়খণ্ড লাগোয়া এই গ্রামের মূল আকর্ষণ পাহাড়ি ঝরনা বা জলপ্রপাত। গ্রামের বুক চিরে চলে গিয়েছে উঁচু-নিচু লাল মাটির পথ, যা দু’পাশে ঘন জঙ্গলে ঘেরা।
advertisement
গ্রামের চারপাশে ছড়িয়ে রয়েছে ছোট ছোট পাহাড় বা ডুংরি। বেলপাহাড়ি থেকে প্রায় ১৫-২০ কিলোমিটার দূরের এই গ্রামটি শান্তির খোঁজে আসা মানুষদের কাছে স্বর্গরাজ্য। প্রশাসনের উদ্যোগে এলাকাটি ঝাড়গ্রাম পর্যটন মানচিত্রে পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছে। শহরের কোলাহল থেকে দূরে প্রকৃতির কোলে বিশ্রাম নিতে চাইলে সেরা ঠিকানা হতে পারে বেলপাহাড়ি ঢাঙিকুসুম।
ঢাঙিকুসুমের ঝরনা
কীভাবে যাবেন ঢাঙিকুসুম?
যদি নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যেতে চান তাহলে সড়কপথে কলকাতা থেকে খড়গপুর হয়ে বেলপাহাড়ি যাওয়ার রাস্তা রয়েছে। দূরত্ব প্রায় ২৫০-২৬০ কিলোমিটার। আর যদি রেলপথে যেতে চান, তাহলে হাওড়া থেকে ট্রেন ধরে ঝাড়গ্রাম বা ঘাটশিলা স্টেশনে নামতে হবে। সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে সরাসরি পৌঁছে যাবেন ঢাঙিকুসুম।
কোথায় থাকবেন?
পর্যটকদের জন্য এখানে বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি হোমস্টে রয়েছে। বর্ষাকালে জলপ্রপাত ও প্রকৃতির রূপ মিলেমিশে এক আলাদা রোমাঞ্চ তৈরি করে। পাথরের উপর দিয়ে কুলু কুলু শব্দে বয়ে চলে জল। তাই বর্ষায় এখানে না এলে আসল রূপই উপভোগ্য হবে না।
