স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে কয়েক বছর আগে শূকর পালন শুরু করেন তপনবাবু। ধীরে ধীরে তাঁর খামারে শূকরের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৯০ থেকে ৯৫-এ পৌঁছয়। সোমবার সকালে খামারে গিয়ে তিনি দেখেন, একের পর এক শূকর মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে। বেশ কয়েকটি শূকরের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়, অন্য কয়েকটি অসুস্থ অবস্থায় ছটফট করতে থাকে। দ্রুত স্থানীয় পশু চিকিৎসককে খবর দেওয়া হয়।
advertisement
ঝড় তুলেছে AI! উধাও হয়ে যেতে পারে ৪০ শতাংশ চাকরি? আশঙ্কার কথা শোনালেন IMF চিফ!
প্রাথমিকভাবে খামার মালিকের অভিযোগ, শূকরগুলির খাবারের সঙ্গে বিষ মেশানো হয়েছিল। পরিকল্পিতভাবে এই নাশকতা চালানো হয়েছে বলেই তাঁর দাবি। ঘটনায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অনুমান করছেন তপনবাবু। দিন আনা দিন খাওয়ার সংসারে এই বিপর্যয়ে তিনি ও তাঁর পরিবার কার্যত দিশেহারা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সাঁকরাইল থানার পুলিশ। মৃত শূকরগুলির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। কী ধরনের বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে এবং তা ইচ্ছাকৃত নাশকতা কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করতে হবে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
