স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম নেপাল শ্যামল। তাঁর বাড়ি ঝাড়গ্রামের নৃপেনপল্লী এলাকায়। পরিবারের দাবি, গতকাল রাতে তিনি বাড়ি থেকে বেরোনোর পর আর ফেরেননি। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে শ্মশান কালী মন্দিরের কাছে একটি জমিতে তাঁর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
advertisement
শুভেন্দুর বিতর্কিত মন্তব্য! তৃণমূলের অভিযোগের ভিত্তিতে রিপোর্ট, ভিডিও ফুটেজও তলব কমিশনের
মৃতদেহ ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মুখ কালো হয়ে গিয়েছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশের চামড়া উঠে গিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই ব্যক্তির উপর অ্যাসিড জাতীয় কিছু নিক্ষেপ করা হয়ে থাকতে পারে, পাশাপাশি মারধোরও করা হয়েছে। এই নির্মম ঘটনার জেরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে এক স্থানীয় যুবকের বিরুদ্ধে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগ, ওই যুবকের কাছে প্রায় ৪০০ টাকার বিনিময়ে একটি মোবাইল ফোন বন্ধক রাখা হয়েছিল। সেই সূত্রেই কোনও বিবাদ বা সংঘাতের জেরে এই খুনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে তাঁদের ধারণা। ইতিমধ্যেই পুলিশ সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।
তবে তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের বক্তব্য, এই ঘটনার সঠিক তদন্ত রাজ্য পুলিশের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সিবিআই তদন্তের দাবিতে তাঁরা পথে নামতে বাধ্য হয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। অবরোধের জেরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।
