TRENDING:

Jalpaiguri News: ডাস্টবিনের দুর্গন্ধে ডেরায় টান! গরুমারায় বাড়ছে হাতির তাণ্ডব, আঙুল উঠছে SWM কেন্দ্রের দিকে

Last Updated:

Jalpaiguri News: গরুমারা জঙ্গল লাগোয়া মাটিয়ালি বাটাবাড়ি–২ এলাকায় বর্জ্যের গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে লোকালয়ে বারবার হানা দিচ্ছে বুনো হাতির দল। SWM ইউনিট ঘিরে বাড়ছে মানুষ–বন্যপ্রাণ সংঘাত। আতঙ্কে দিন কাটছে গ্রামবাসীদের।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দে: বর্জ্যের গন্ধেই খাবারের খোঁজ! আখছার হানা এলাকায়! খাবারের খোঁজে লোকালয়ে হানা দিয়ে ক্রমেই বদল হচ্ছে গজরাজের খাদ্যাভ্যাস। আর এবার জঙ্গল লাগোয়া লোকালয়ে বর্জ্য ফেলার কেন্দ্র দেখেই সেখানেই আক্রমণ গজরাজের। আচমকা হানা রুখতে উঠছে কেন্দ্র সরানোর দাবি। বর্জ্য খেতে এসে এবার রাজ্য সরকারের গ্রাম পরিষ্কার রাখার কেন্দ্রেই বারবার হানা দিচ্ছে বুনো হাতির দল।
advertisement

গরুমারা জঙ্গল সংলগ্ন মাটিয়ালি বাটাবাড়ি নং–২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নির্মিত ডিসেন্ট্রালাইজড সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট (SWM) ইউনিট ঘিরে বাড়ছে মানুষ–বন্যপ্রাণ সংঘাত। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, আশপাশের রিসোর্ট ও বসতবাড়ি থেকে জমা হওয়া প্লাস্টিক, খাবারের উচ্ছিষ্ট ও আবর্জনার তীব্র গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে প্রায়শই জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে হাতির দল।

advertisement

আরও পড়ুন: বাঁকুড়ায় নারী শক্তির জয়জয়কার! প্রজাতন্ত্র দিবসে স্টেডিয়াম কাঁপল প্রমীলা বাহিনীর কুচকাওয়াজে, মুগ্ধ জেলাবাসী

সম্প্রতি গভীর রাতে একদল হাতি SWM কেন্দ্রের চারপাশের জালি ভেঙে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী একাধিক বাড়িঘরেও আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি গ্রামবাসীদের। একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “রাত নামলেই ভয়। হাতি ঢুকে পড়বে এই আশঙ্কায় শিশুরা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে না। বাড়ির দরজা জানালা বন্ধ করে সারা রাত জেগে থাকতে হচ্ছে।” অন্যদিকে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে SWM ইউনিটের অধীনে সেগ্রিগেশন ও স্টোরেজ শেড নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
এই হাটে এক পয়সা খরচ না করেই মিলছে সব! পকেটে টাকা না থাকলেও ব্যাগভর্তি শপিং
আরও দেখুন

তবে পরিবেশপ্রেমী ও স্থানীয়দের একাংশের মত, জঙ্গল ও জনবসতির এত কাছে এই ধরনের কেন্দ্র থাকায় সম্ভবত বিপদ আরও বাড়ছে। পরিবেশবিদদের মতে, SWM কেন্দ্রটি যদি অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ও জঙ্গল থেকে দূরের কোনও স্থানে স্থানান্তরিত করা হয় কিংবা বর্তমান ঘরটি বিকল্প কাজে ব্যবহার করা হয়, তা হলে খাবারের লোভে বন্যপ্রাণীদের লোকালয়ে ঢোকার প্রবণতা খানিক কমবে। তাতে মানুষ ও বন্যপ্রাণ—উভয়ের জীবনই কিছুটা নিরাপদ হবে। এখন দেখার, প্রশাসন এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কত দ্রুত পদক্ষেপ করে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Jalpaiguri News: ডাস্টবিনের দুর্গন্ধে ডেরায় টান! গরুমারায় বাড়ছে হাতির তাণ্ডব, আঙুল উঠছে SWM কেন্দ্রের দিকে
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল