গরুমারা জঙ্গল সংলগ্ন মাটিয়ালি বাটাবাড়ি নং–২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নির্মিত ডিসেন্ট্রালাইজড সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট (SWM) ইউনিট ঘিরে বাড়ছে মানুষ–বন্যপ্রাণ সংঘাত। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, আশপাশের রিসোর্ট ও বসতবাড়ি থেকে জমা হওয়া প্লাস্টিক, খাবারের উচ্ছিষ্ট ও আবর্জনার তীব্র গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে প্রায়শই জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে হাতির দল।
advertisement
সম্প্রতি গভীর রাতে একদল হাতি SWM কেন্দ্রের চারপাশের জালি ভেঙে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী একাধিক বাড়িঘরেও আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি গ্রামবাসীদের। একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “রাত নামলেই ভয়। হাতি ঢুকে পড়বে এই আশঙ্কায় শিশুরা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে না। বাড়ির দরজা জানালা বন্ধ করে সারা রাত জেগে থাকতে হচ্ছে।” অন্যদিকে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে SWM ইউনিটের অধীনে সেগ্রিগেশন ও স্টোরেজ শেড নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে পরিবেশপ্রেমী ও স্থানীয়দের একাংশের মত, জঙ্গল ও জনবসতির এত কাছে এই ধরনের কেন্দ্র থাকায় সম্ভবত বিপদ আরও বাড়ছে। পরিবেশবিদদের মতে, SWM কেন্দ্রটি যদি অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ও জঙ্গল থেকে দূরের কোনও স্থানে স্থানান্তরিত করা হয় কিংবা বর্তমান ঘরটি বিকল্প কাজে ব্যবহার করা হয়, তা হলে খাবারের লোভে বন্যপ্রাণীদের লোকালয়ে ঢোকার প্রবণতা খানিক কমবে। তাতে মানুষ ও বন্যপ্রাণ—উভয়ের জীবনই কিছুটা নিরাপদ হবে। এখন দেখার, প্রশাসন এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কত দ্রুত পদক্ষেপ করে।





