জলপাইগুড়ি আনন্দ চন্দ্র কলেজে একটি সেমিনারে বক্তব্য রাখতে এসে ছিলেন দূষন নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের চেয়ারম্যান। সেখানেই উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়া হ্রদগুলির ছবি তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ বিপদের আশঙ্কা তুলে ধরেন তিনি।
advertisement
২০২৩ সালে সিকিমের লোনাক হ্রদ ভেঙে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় সিকিমে। প্রভাব পড়ে তিস্তায়। মৃত্যু হয় বহু মানুষের। এদের মধ্যে বেশির ভাগই সেনা কর্মী। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সেই ধাক্কা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি তিস্তা। পলির আস্তরণ পড়ে একাধিক জায়গায় গতিমুখ বদলে গিয়েছে উত্তরবঙ্গের বৃহওম এই নদীর। তিস্তা নদী র উৎপত্তিস্থল সিকিম। যা শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার হয়ে বয়ে গিয়েছে বাংলাদেশে।
আরও পড়ুন: ভাটায় জল নামলেই থমকে যায় জনজীবন, রূপমারীর ফেরিঘাটে নিত্যযাত্রীদের ভোগান্তি! জোরালো দাবি সংস্কারের
সিকিম পাহাড়ের খুবই দুর্গম অবস্থানের মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক এই জলাধারগুলি। বৃষ্টিপাতের ছন্দে পরিবর্তন এসেছে। আয়তনে ক্রমশ বেড়েই চলছে অরক্ষিত অবস্থায় থাকা এই জলাধারগুলি। এই অবস্থায় ১৭ টি জলাধারের মধ্যে একটি ভাঙলে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, সেই আশঙ্কার কথা মনে করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্র সরকারের তরফে দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে জানান তিনি।
