TRENDING:

Jalpaiguri News: হাতি-বাইসনের সঙ্গেই ঘরকন্না, দীর্ঘদিন ডুয়ার্সের এই বস্তিতে চলে আসছে নীরব বোঝাপড়া! মন ভাল করা খবর

Last Updated:

Jalpaiguri News: জঙ্গলঘেরা পরিবেশে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সহাবস্থানের এক অনন্য ছবি দেখা মিলছে গরুমারা জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন চাটুয়া বনবস্তিতে। ময়নাগুড়ি ব্লকের এই ছোট্ট বসতিতে প্রতিদিনের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে জঙ্গলের বাসিন্দারাও।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দে: বন্যপ্রাণই হল এই গ্রামের পড়শী! অবাক হচ্ছেন! একেবারেই এমন ব্যতিক্রমী চিত্র উঠে আসে ডুয়ার্সের এই এলাকায়। ডুয়ার্সের বনবস্তি এলাকা মানেই যেখানে বন্যপ্রাণীদের হানার ভয়ে তঠস্থ থাকে বাসিন্দারা, সেখানে এই ঘন বস্তির বাসিন্দারা অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে বন্যপ্রাণীদের সঙ্গে সহাবস্থানের। মানুষ ও বন্যপ্রাণীর শান্ত সহাবস্থান, ব্যতিক্রমী নজির দেখা যায় চাটুয়া বনবস্তিতে।
advertisement

উত্তরবঙ্গের জঙ্গলঘেরা পরিবেশে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সহাবস্থানের এক অনন্য ছবি দেখা মিলছে গরুমারা জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন চাটুয়া বনবস্তিতে। ময়নাগুড়ি ব্লকের এই ছোট্ট বসতিতে প্রতিদিনের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে জঙ্গলের বাসিন্দারাও। এলাকাটি জঙ্গলের খুব কাছাকাছি হওয়ায় মাঝেমধ্যেই হাতি, বাইসনসহ নানা বন্যপ্রাণীর দেখা মেলে। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এই উপস্থিতি নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে তেমন আতঙ্ক বা ক্ষোভ নেই।

advertisement

আরও পড়ুন: পাহারা দিতে গিয়ে যমের মুখে চৌকিদার, ছিঁড়ে খাওয়ার চেষ্টা লেপার্ডের! ঝোপের আড়াল থেকে হঠাৎ হামলা, জানলে গায়ে কাঁটা দেবে

বরং দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় তারা শিখে নিয়েছেন কীভাবে প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বসবাস করতে হয়। স্থানীয়দের মতে, বন্যপ্রাণীর কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা এখানে খুব একটা ঘটে না। নিরাপত্তার জন্য অনেক বাড়ির পিছনে বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে। রাতে কোথাও হাতি বা অন্য কোনও বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি টের পেলে গ্রামবাসীরা আলো জ্বালিয়ে বা শব্দ করে তাদের জঙ্গলের দিকে ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন। গ্রামের এক বাসিন্দার কথায়, “এই জঙ্গল যেমন তাদের বাড়ি, তেমনই আমাদেরও।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
হাতি-বাইসনের সঙ্গেই ঘরকন্না, দীর্ঘদিন ডুয়ার্সের এই বস্তিতে চলে আসছে নীরব বোঝাপড়া
আরও দেখুন

তাই একে অপরকে বুঝে নিয়েই থাকতে হয়।” স্থানীয়দের দাবি, দিনের বেলায় অনেক সময় হাতি বা অন্যান্য বন্যপ্রাণী জঙ্গলের ধারে এসে কলা, বাঁশ বা কচি গাছের পাতা খেয়ে আবার জঙ্গলে ফিরে যায়। তবে রাতের দিকে তাদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কমই দেখা যায়। প্রায় ৮০টি পরিবারের বসবাস এই বনবস্তিতে। বছরের পর বছর ধরে মানুষ ও বন্যপ্রাণী এখানে এক ধরনের নীরব বোঝাপড়ার মধ্যে দিয়ে সহাবস্থানে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Jalpaiguri News: হাতি-বাইসনের সঙ্গেই ঘরকন্না, দীর্ঘদিন ডুয়ার্সের এই বস্তিতে চলে আসছে নীরব বোঝাপড়া! মন ভাল করা খবর
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল