দুটি বৈদ্যুতিক চুল্লির পরিকাঠামো থাকলেও অধিকাংশ সময় একটি চুল্লি বিকল হয়ে পড়ায় শেষকৃত্যের জন্য শোকাহত পরিবারগুলিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। প্রিয়জনকে হারানোর যন্ত্রণার সঙ্গে যুক্ত হত অব্যবস্থার মানসিক চাপ, যা বারবার প্রশ্ন তুলেছে শহরের নাগরিক পরিকাঠামো নিয়ে। এই অবস্থার অবসান ঘটাতে এগিয়ে এসেছে কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি। জলপাইগুড়ি পৌরসভার তরফে প্রস্তুত করা ডিপিআর ইতিমধ্যেই অনুমোদন পেয়েছে।
advertisement
এ বিষয়ে কাউন্সিলের উত্তম বোস জানিয়েছেন, প্রশান্ত সাজিয়ে তোলা হয়েছে গোলাপ ফুলের বাগানে। শেষ যাত্রা এবার যেমন হবে সহজ, তেমনি হবে শান্তির। এমনকি ঘুরে দেখার মতো দৃষ্টিনন্দন হিসেবেই সাজিয়ে তোলা হবে এই প্রাঙ্গণ। পাশাপাশি পৌরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে এবং প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে একসঙ্গে দুটি বৈদ্যুতিক চুল্লি ব্যবহার করা যাবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ফলে শেষকৃত্যের জন্য আর দীর্ঘ অপেক্ষার প্রয়োজন পড়বে না। দীর্ঘদিন পর প্রযুক্তিগত উন্নয়ন তো বটেই, এই প্রকল্পের মাধ্যমে শ্মশান চত্বরে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাতেও পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। নাগরিকদের মতে, এটি শহরের মানুষের প্রতি এক মানবিক দায়িত্ব পালনের উদ্যোগ। সবমিলিয়ে, মাসকলাই বাড়ি শ্মশানের এই রূপান্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যেখানে শেষ বিদায়টুকু হবে সম্মান ও শান্তির সঙ্গে।





