TRENDING:

Jalpaiguri News: শেষযাত্রায় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা এবার অতীত, চার কোটি টাকায় ভোলবদল হচ্ছে শ্মশানের! গোলাপের চাদরে ঢাকবে এলাকা

Last Updated:

Jalpaiguri News: শ্মশানের আমূল সংস্কার। প্রায় চার কোটি টাকায় বদলে যাবে শেষ ঠিকানার চেহারা। সঙ্গে মিলছে মহাশ্মশানের তকমাও। গোলাপের বাগন গড়ে তোলা হচ্ছে শ্মশান চত্ত্বরে। এছাড়াও নতুন বৈদ্যুতিক চুল্লি থাকছে। ফলে অপেক্ষা কমবে মানুষের।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দে: শেষ যাত্রায় আর লাইন নয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে জলপাইগুড়ি শহরবাসীর। তৈরি হতে চলেছে নতুন চুল্লি। সঙ্গে গোলাপের চাদরে সেজে উঠছে শ্মশান চত্বর। সঙ্গে উপরি পাওনা শহরের একমাত্র হিন্দু শ্মশান মাষকলাই বাড়ি অবশেষে পেতে চলেছে ‘মহা শ্মশান’-এর মর্যাদা। প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে এই শ্মশানের আমূল রূপান্তরের কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে। দীর্ঘদিন ধরেই এই শ্মশান ঘিরে ছিল একরাশ দুশ্চিন্তা।
advertisement

দুটি বৈদ্যুতিক চুল্লির পরিকাঠামো থাকলেও অধিকাংশ সময় একটি চুল্লি বিকল হয়ে পড়ায় শেষকৃত্যের জন্য শোকাহত পরিবারগুলিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। প্রিয়জনকে হারানোর যন্ত্রণার সঙ্গে যুক্ত হত অব্যবস্থার মানসিক চাপ, যা বারবার প্রশ্ন তুলেছে শহরের নাগরিক পরিকাঠামো নিয়ে। এই অবস্থার অবসান ঘটাতে এগিয়ে এসেছে কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি। জলপাইগুড়ি পৌরসভার তরফে প্রস্তুত করা ডিপিআর ইতিমধ্যেই অনুমোদন পেয়েছে।

advertisement

আরও পড়ুন: মা কালীর অঙ্গ থেকে সোনার গয়না হাওয়া, গায়েব মন্দিরের প্রণামী বাক্স! সিসিটিভিতে ধরা পড়ল চোর দলের তাণ্ডব

এ বিষয়ে কাউন্সিলের উত্তম বোস জানিয়েছেন, প্রশান্ত সাজিয়ে তোলা হয়েছে গোলাপ ফুলের বাগানে। শেষ যাত্রা এবার যেমন হবে সহজ, তেমনি হবে শান্তির। এমনকি ঘুরে দেখার মতো দৃষ্টিনন্দন হিসেবেই সাজিয়ে তোলা হবে এই প্রাঙ্গণ। পাশাপাশি পৌরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে এবং প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে একসঙ্গে দুটি বৈদ্যুতিক চুল্লি ব্যবহার করা যাবে।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
ফেলে দেওয়া জিনিসেই আয়ের দিশা! নারকেল ছোবড়া দিয়ে এইসব বানিয়ে হাতে আসছে টাকা
আরও দেখুন

ফলে শেষকৃত্যের জন্য আর দীর্ঘ অপেক্ষার প্রয়োজন পড়বে না। দীর্ঘদিন পর প্রযুক্তিগত উন্নয়ন তো বটেই, এই প্রকল্পের মাধ্যমে শ্মশান চত্বরে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাতেও পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। নাগরিকদের মতে, এটি শহরের মানুষের প্রতি এক মানবিক দায়িত্ব পালনের উদ্যোগ। সবমিলিয়ে, মাসকলাই বাড়ি শ্মশানের এই রূপান্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যেখানে শেষ বিদায়টুকু হবে সম্মান ও শান্তির সঙ্গে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Jalpaiguri News: শেষযাত্রায় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা এবার অতীত, চার কোটি টাকায় ভোলবদল হচ্ছে শ্মশানের! গোলাপের চাদরে ঢাকবে এলাকা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল