পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। গতকাল তিনি শুনানিতে অংশ নেন এবং ৬ নম্বর ফর্মও পূরণ করেন। তবুও গত কয়েকদিন ধরে চরম উদ্বেগে ভুগছিলেন। পরিবারের দাবি, “ভারতে থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তার ভয় ছিল।” মঙ্গলবার সকালে বাড়ির বাথরুমে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে জানান স্ত্রী পপি দে। ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছে স্ত্রী, মেয়ে ও পরিজনেরা। জলপাইগুড়ি পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে ভাড়া বাড়িতে দীর্ঘ আট বছর ধরে বসবাস করছিলেন তাঁরা।
advertisement
বাড়িওয়লা শম্পা সরকার বলেন, ‘‘গতকাল গৌরাঙ্গ একটা আতঙ্কের মধ্যে ছিল নাম না থাকার কারণে তিনি ভাবছিলেন তাকে বাংলাদেশ পাঠিয়ে দেওয়া হবে সেই আতঙ্ক যেন আজ কাল হয়ে দাঁড়াবে বুঝে উঠতে পারিনি।’’
ঘটনার খবর পেয়ে নিহতের বাড়িতে যান জলপাইগুড়ি পৌরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “উৎসবের দিনে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।” পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর দাবি, এসআইআর আতঙ্কে রাজ্যে ইতিমধ্যেই বহু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। রঙের আবহে যখন শহর মেতেছে উৎসবে, ঠিক তখনই ১১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি পরিবারে নেমে এসেছে গভীর অন্ধকার। তবে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘটনার সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
(DISCLAIMER:This news piece may be triggering. If you or someone you know needs help, call any of these helplines: Aasra (Mumbai) 022-27546669, Sneha (Chennai) 044-24640050, Sumaitri (Delhi) 011-23389090, Cooj (Goa) 0832- 2252525, Jeevan (Jamshedpur) 065-76453841, Pratheeksha (Kochi) 048-42448830, Maithri (Kochi) 0484-2540530, Roshni (Hyderabad) 040-66202000, Lifeline 033-64643267 (Kolkata))
