জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পাপিয়া সুলতানা বিভিন্ন প্রান্তে রুট মার্চ করছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে ভোটারদের আশ্বস্ত করছেন। এই রুট মার্চেরই অংশ হিসেবে তিনি পৌঁছেছিলেন কেশিয়াড়ির সিংপুর গ্রামে। সেখানে টহল দেওয়ার সময় এক অনন্য মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন গ্রামবাসী ও পুলিশ আধিকারিকরা। রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় দুই আদিবাসী মহিলার সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান পুলিশ সুপার। প্রবল গরমে তৃষ্ণার্ত হয়ে তিনি ওই মহিলাদের কাছে জল চেয়ে খান। তাঁর এহেন আচরণ গ্রামবাসীদের মন জয় করে নেয়।
advertisement
অনেক ক্ষেত্রেই গ্রামীণ এলাকায় পুলিশের প্রতি যে ভয় বা জড়তা থাকে, পুলিশ সুপারের এই আচরণে তা নিমেষেই উধাও হয়ে যায়। গ্রামের মানুষ তাকে ‘ঘরের লোক’ হিসেবেই গ্রহণ করেন। জনসংযোগের মূল লক্ষ্য ছিল, ভোটারদের মনে সাহস জোগানো। তিনি গ্রামবাসীদের আশ্বস্ত করেন, সম্পূর্ণ নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাঁরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। পুলিশ ও প্রশাসন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। একদিকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্যদিকে উর্দির আড়ালে এমন মানবিক স্পর্শ— সব মিলিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরে নির্বাচনের আগে পুলিশি তৎপরতা নতুন মাত্রা পেয়েছে।