খাঁচার ভিতর থেকে গর্জন শুনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তাঁরা। পরে কাছে গিয়ে নিশ্চিত হন, বনদপ্তরের পাতা ফাঁদেই আটকে পড়েছে চিতাবাঘটি। মুহূর্তের মধ্যেই খবর ছড়িয়ে পড়ে এলাকায় এবং চিতাবাঘটিকে দেখতে ভিড় জমায় বহু মানুষ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিন্নাগুড়ি বন্যপ্রাণী স্কোয়াডের কর্মীরা। যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করে চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করা হয়। এরপর সেটিকে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে স্বাভাবিক পরিবেশে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: ভয়াবহ দুর্ঘটনা! এসইউভির ধাক্কায় দুভাগ হয়ে গেল স্কুটার, ২০ ফুট দূরে ছিটকে পড়লেন যাত্রীরা…
বন দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত ছয় মাসে ডুয়ার্সের বিভিন্ন চা বাগান এলাকা থেকে এ নিয়ে মোট সাতটি চিতাবাঘ উদ্ধারের ঘটনা ঘটল। ফলে একদিকে যেমন বনকর্মীদের তৎপরতায় স্বস্তি মিলছে, অন্যদিকে বাগান শ্রমিকদের মধ্যে বাড়ছে আতঙ্ক। স্থানীয়দের দাবি, দেবপাড়া-সহ আশপাশের এলাকায় এখনও একাধিক চিতাবাঘের উপস্থিতি রয়েছে। সেই আশঙ্কায় বানারহাট ব্লকের অন্তর্গত বিভিন্ন চা বাগানে ইতিমধ্যেই পাঁচটি খাঁচা পেতে রেখেছে বন দফতর।
আরও পড়ুন: SIR-এ বিচারাধীন ভোটাররা আবেদন জানাতে পারবেন অনলাইনেও! কী ভাবে আবেদন করবেন?
এদিকে, শ্রমিকদের অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া চিতাবাঘটি কয়েকদিন ধরেই বাগান এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। ফলে এখনো কাজের সময় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি। বিশেষ করে ভোর ও সন্ধ্যার সময় বাগানে কাজ করতে ভয় পাচ্ছেন অনেকেই। এই ঘটনায় বড়সড় বিপদ এড়ানো গেলেও ডুয়ার্সে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাতের আশঙ্কা যে ক্রমশ বাড়ছে, তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
