পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় আড়াই বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছিলেন তিনি। কিন্তু অক্টোবরের ভয়াবহ বন্যা ও টানা বৃষ্টিতে চাষের জমিতে জল জমে ব্যাপক ক্ষতি হয়। তার মধ্যে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি এবং কালবৈশাখী ঝড়ে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চাষের ফসল। আলু এবং বিনস-সহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ধার-দেনা করে চাষ করায় সেই ক্ষতির ধাক্কা সামলাতে পারেননি বলেই পরিবারের অভিযোগ।
advertisement
মৃতের ছেলের দাবি, ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর থেকেই মানসিক চাপে ভুগছিলেন পরেশবাবু। সকালে বাড়ির পাশের একটি বাঁশবাগানের গাছে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলের কাছেই একটি কীটনাশকের বোতল পড়ে থাকতে দেখা যায়, যা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর পেয়ে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে, ঠিক এই দিনেই এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক সভা থাকায় ঘটনাটি ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। শাসক ও বিরোধী—উভয় পক্ষই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একে অপরকে আক্রমণ করতে শুরু করেছে। কৃষকের এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
