এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ, খুনে অভিযুক্ত হারুন বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর ‘ঘনিষ্ঠ’৷ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় গৌতম চৌধুরীর সঙ্গে হারুন খানের একাধিক ছবি সামনে এসেছে৷ এমনকি, হারুন অপরাধ ঘটানোর সময় যে বাইক ব্যবহার করেছিল তা ‘বিধায়কের ’৷ যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিধায়ক গৌতম চৌধুরী।
advertisement
এই নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন গৌতম চৌধুরী। হারুনকে চিনলেও ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ অস্বীকার করেন। উত্তর হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “আমরা জনপ্রতিনিধি। আমাদের সামাজিক কাজ করতে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। কিন্তু দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এ মাটি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাটি। বাম আমল কাটিয়ে ২০১১ সালে এখানে শান্তি ফিরে এসেছে। যারা ক্রিমিনাল, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা জেলে যাবে। সময়ের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা। আমি এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি।”
যদিও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিজেপি নেতা উমেশ রাই দাবি করেন, “গত ২৬ জানুয়ারি পিলখানায় একটা বড় অনুষ্ঠান হয়েছিল। সেখানে হারুন খানের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছিলেন গৌতম চৌধুরী। উনি গুন্ডাদের গ্রুপ তৈরি করেছেন।”
নিহত প্রোমোটার মহম্মদ সফিকুলকে খুন করে চম্পট অভিযুক্ত হারুন-রোহিত৷ বাড়ির নীচে নামতেই ঘিরে ধরে দুষ্কৃতীরা৷ হারুনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হতেইপয়েন্ট ব্ল্যাঙ্করেঞ্জ থেকে পিছন থেকে মাথায় গুলি করে রোহিত৷ প্রোমোটার লুটিয়ে পরতেই পরপর ৬ রাউন্ড গুলি চালিয়ে চম্পট হারুন-রোহিত৷ সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ঘটনার মুহূর্তের হাড়হিম করা ছবি। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় মহম্মদ সফিকুলের।
খুনে অভিযুক্ত হারুনের বাড়িতে ভাঙচুর ক্ষিপ্ত জনতার। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে
পুলিশ।
